‘ককরোচ জনতা পার্টি’র অ্যাকাউন্ট ব্লক : ক্ষুব্ধ শশী থারুর

Printed Edition
‘ককরোচ জনতা পার্টি’র অ্যাকাউন্ট ব্লক : ক্ষুব্ধ শশী থারুর
‘ককরোচ জনতা পার্টি’র অ্যাকাউন্ট ব্লক : ক্ষুব্ধ শশী থারুর

এনডিটিভি

ভারতের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টি করা ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্ম ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট ব্লক করার সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন কংগ্রেসের লোকসভার সদস্য শশী থারুর। যুবসমাজের ক্ষোভ ও আবেগের বহিঃপ্রকাশকে এভাবে চেপে ধরাকে ‘সর্বনাশা ও চরম অবিবেচনাপ্রসূত’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। একই সাথে দেশের প্রধান বিরোধী দলগুলোকে এই গণজোয়ারকে কাজে লাগিয়ে তরুণ প্রজন্মকে মূলধারার রাজনীতিতে টেনে আনার পরামর্শ দিয়েছেন এই প্রবীণ নেতা।

সম্প্রতি আইনি নোটিশের জের ধরে ভারতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রায় দুই লাখ ফলোয়ার বিশিষ্ট এক্স অ্যাকাউন্টটি বন্ধ করে দেয় নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। এই ঘটনার পরই বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এই প্রসঙ্গে মুখ খুলে শশী থারুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, মাত্র পাঁচ দিনে ইনস্টাগ্রামে এই প্ল্যাটফর্মটির অনুসারী সংখ্যা ১৯ মিলিয়ন (১ কোটি ৯০ লাখ) ছাড়িয়ে যাওয়ার বিষয়টি তাকে ভীষণভাবে কৌতূহলী করেছে। তিনি মনে করেন, দেশের তরুণদের ক্ষোভ ও হতাশার একটি স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ দরকার এবং একটি সুস্থ গণতন্ত্রে ব্যঙ্গ, রসাত্মক সমালোচনা ও ভিন্নমতের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকা উচিত। তাই অ্যাকাউন্টটি অবিলম্বে সচল করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

মাত্র এক সপ্তাহ আগে অভিজিৎ দিপকে নামের এক যুবকের হাত ধরে যাত্রা শুরু করা এই প্ল্যাটফর্মটি নিজেদের ‘অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর’ হিসেবে দাবি করেছে। এটি মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক ফ্রন্ট হলেও তাদের ইশতেহারে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিদের অবসরকালীন রাজ্যসভার আসন নিষিদ্ধ করা এবং পার্লামেন্টে নারীদের জন্য ৫০ শতাংশ আসন সংরক্ষণের মতো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি তোলা হয়েছে।