‘বিআরটিসির বাস তৈরির সক্ষমতা আমাদের জন্য গর্ব ও অহঙ্কারের’

Printed Edition
‘বিআরটিসির বাস তৈরির সক্ষমতা আমাদের জন্য গর্ব ও অহঙ্কারের’
‘বিআরটিসির বাস তৈরির সক্ষমতা আমাদের জন্য গর্ব ও অহঙ্কারের’

নয়া দিগন্ত ডেস্ক

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়) শেখ মইনউদ্দিন বলেছেন, বিআরটিসির নিজস্ব কারখানায় বাস তৈরির সক্ষমতা আমাদের জন্য গর্বের ও অহঙ্কারের। দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে সক্ষমতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে বিআরটিসিকে নেতৃত্ব দিতে হবে। ভবিষ্যতে যেন শুধু নিজেদের বহরের বাসই নয়, বাইরের বাসও এখানে সংযোজন করা যায় বিআরটিসিকে সেই সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।

তিনি গতকাল গাজীপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) সমন্বিত কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানায় নিজস্ব অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় নির্মিত দু’টি আধুনিক এসি বাসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সভাপতিত্ব করেন বিআরটিসি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা।

তিনি বলেন, আজকের এই আয়োজনে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এটি কেবল দু’টি নতুন বাসের উদ্বোধন নয়, এটি আমাদের সক্ষমতার প্রতীক।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, এই দু’টি এসি বাস নির্মাণ শুধু সূচনা মাত্র। আমাদের মেধা ও দক্ষতার সর্বোচ্চ উৎকর্ষ সাধন করতে হবে। বিআরটিসির সম্প্রসারণের সুযোগ অনেক বেশি এবং আমরা সংস্থাটিকে আরো এগিয়ে নিতে চাই। এটি নতুন যুগের সূচনা।

সভাপতির বক্তব্যে সংস্থার চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা বলেন, বিআরটিসি কেবল একটি পরিবহন সংস্থা নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় সেবা প্রতিষ্ঠান। নিজস্ব প্রশিক্ষণ অবকাঠামো, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও ওয়ার্কশপের মাধ্যমে গড়ে ওঠা সমন্বিত সক্ষমতারই বাস্তব উদাহরণ হলো দেশীয়ভাবে নির্মিত এই এসি বাস। বহর আধুনিকায়নে দ. কোরিয়া থেকে ৩৪০টি উন্নত বাস আমদানির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে, ভবিষ্যতে নতুন ট্রাক ও কোস্টার যুক্ত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, সংস্থা প্রধান ও প্রতিনিধি, বিআরটিসির শীর্ষ কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন বিভাগের জিএম ও ডিজিএমরা উপস্থিত ছিলেন।