রফিকুল হায়দার ফরহাদ
ঢাকার ফুটবল লিগে খেলে পরবর্তীতে বিশ্বকাপে খেলেছেন নাইজেরিয়ান এমেকা ইউজিগো। তিনি ছিলেন মোহামেডানের খেলোয়াড়, যা ছিল একটি রেকর্ড। এর আগে বিশ্বকাপ খেলে ঢাকার ফুটবল লিগে খেলে গেছেন ইরাকের সামির সাকির , করিম মোহাম্মদ আলভি এবং ইরানের নাসের হেজাজী। দুই ইরাকি আবাহনীর খেলোয়াড় ছিলেন। আর নাজের হেজাজী মোহামেডানের কোচ কাম খেলোয়াড় ছিলেন। আবাহনীর বিপক্ষে এক ম্যাচে তিনি গোলরক্ষক হিসেবে নামেন বদলি হিসেবে। এ ছাড়া ঢাকার মাঠে খেলে যাওয়া দক্ষিণ কোরিয়ার এক ফুটবলার বিশ্বকাপে খেলেছেন। আবার ঘানাকে যুব বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন করানো জার্মানির অটো ফিস্টার বাংলাদেশের কোচ ছিলেন। বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিয়েই তিনি সৌদি আরবকে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করান। আর আফ্রিকান দেশ টোগোকে নিয়ে যান ২০০৬ বিশ্বকাপে। বাংলাদেশ কবে বিশ্বকাপে খেলবে তা কেউই বলতে পারছে না। তবে বিশ্বকাপে খেলা তিন ফুটবলারকে বাংলাদেশ কোচ হিসেবে পেয়েছে। প্রথমে ছিলেন নাসের হেজাজী। এরপর সামির সাকির। আর এবার যোগ দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের টমান ডুলি।
১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অংশ নেয় ইরান। সেই দলের গোলরক্ষক ছিলেন নাসের হেজাজী। ১৯৮৮তে ঢাকা মোহামেডানের কোচ হওয়ার পর তাকে ১৯৮৯ সালের ইসলামাবাদ সাফ গেমসে বাংলাদেশ দলের কোচ বানানো হয়। যদিও ফাইনালে ভারতের কাছে হেরে স্বর্ণ জিততে ব্যর্থ ইলিয়াস হোসেনের দল। ইরাকের হয়ে ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে খেলা সামির সাকির ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ দলের কোচ হন। তার সময়েই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সাফ গেমস ফুটবলে স্বর্ণ জয় করে। তা ১৯৯৯ সালের কাঠমান্ডু সাফ গেমসে। এবার বিশ্বকাপে খেলা তৃতীয় ফুটবলার হিসেবে বাংলাদেশ দলের দায়িত্বে যুক্তরাষ্ট্রের টমাস ডুলি। তিনি অবশ্য এগিয়ে হেজাজী ও সামির সাকিরের চেয়ে। এই দুই এশিয়ান ফুটবলার একটি করে বিশ্বকাপের আসরে অংশ নিয়েছিলেন। সেখানে ডুলির ভাণ্ডারে দুই বিশ্বকাপের আসর। ১৯৯৪ সালে নিজ মাঠে এবং ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত আসরে।
আরেক বিশ্বকাপের ফুটবলার বাংলাদেশে কোচিং করিয়েছেন। তিনি অবশ্য ক্লাব পর্যায়ে। ১৯৯৪ সালের যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে খেলা নাইজেরিয়ান এমেকা এই শতাব্দীতে মোহামেডানের কোচ ছিলেন।



