বসুন্ধরার ড্রতে লাভবান আবাহনী

Printed Edition

ক্রীড়া প্রতিবেদক

  • বসুন্ধরা ১-১ পুলিশ
  • আবাহনী ২-০ পিডব্লিউডি
  • ফর্টিস ৭-১ ইয়ংম্যান্স

লালকার্ড আর খেলোয়াড় বদল নিয়ে পুলিশের আপত্তি। এ নিয়ে খেলা বন্ধ ১ ঘণ্টা ১২ মিনিট। এর আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশ দলের বিপক্ষে স্কোর ১-১ করে রাখে বসুন্ধরা কিংস। এরপর ফের খেলা শুরু হলেও বসুন্ধরা কিংসের পক্ষে দ্বিতীয় গোল করা সম্ভব হয়নি। ফলে পয়েন্ট হারিয়ে বড় একটা ধাক্কাই খেল বসুন্ধরা। এতে তাদের শীর্ষ স্থান বহাল থাকলেও গাঢ়ে গরম নিঃশ্বাস ফেলছে ঢাকা আবাহনী। কাল তারা অপর ম্যাচে ২-০ গোলে হারিয়েছে পিডব্লিউডিকে। এতে আবাহনীর সাথে বসুন্ধরা কিংসের পয়েন্টের ব্যবধান মাত্র ১। ১৬ খেলা শেষে বসুন্ধরা কিংসের পয়েন্ট ৩৫। আর আবাহনীর ৩৪। কাল অপর ম্যাচে পা ওমর বাবাউর হ্যাটট্রিকে ফর্টিস এফসি ৭-১ গোলে হারিয়েছে ইয়ংম্যান্স ক্লাব ফকিরেরপুলকে। ফর্টিসের পয়েন্ট ৩১।

কিংস এরিনায় ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখালেও গোলের দেখা পেতে কিংসকে অপেক্ষা করতে হয় ৩৫ মিনিট পর্যন্ত। ডান প্রান্ত থেকে দুর্দান্ত এক ক্রস বাড়ান রাকিব। বক্সে অরক্ষিত কিংসের ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার ডরিয়েলটন গোমেজ নিখুঁত হেডে বল জালে জড়ান।

৫৩ মিনিটে স্কোরলাইন হয়ে যায় ১-১। পুলিশ ফ্রি-কিক পায়, তা থেকে জয়ন্ত বল নামিয়ে দেন বক্সে। কিংসের ডিফেন্ডার সাদ বল ক্লিয়ার করতে না পারলে ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার পাওলো সান্তোস জটলার মধ্যে বাঁ পায়ের শটে গোল করে সমতা ফেরান। তবে সেই পাওলো লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন কিছুক্ষণ পরই। ৬৩ মিনিটে পুলিশের বিদেশী খেলোয়াড় বদল নিয়ে জটিলতায় বন্ধ হয়ে যায় ম্যাচ।

ঘটনা ছিল, পাওলো লাল কার্ড দেখার পর পুলিশ এফসি আরেক ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার ডানিলোকে নামায়। এতে আপত্তি করে কিংস। কারণ, নিয়ম হলো কোনো দলের হয়ে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ তিনজন বিদেশী ফুটবলার খেলতে পারবেন। পুলিশ তিনজন বিদেশী নিয়ে শুরুতেই নেমেছিল এবং একজন বিদেশী লাল কার্ড দেখার পর স্থানীয় একজন খেলোয়াড়ের বদলে আরেকজন বিদেশী নামানো নিয়ে তৈরি হয় জটিলতা। এই অচলাবস্থায় খেলা বন্ধ ছিল দীর্ঘ ১ ঘণ্টা ১২ মিনিট। শেষ পর্যন্ত ডানিলোকে তুলে নেয় পুলিশ, এরপর শুরু হয় খেলা।

১০ জনের পুলিশের বিপক্ষে ৭১ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন কিংসের ডিফেন্ডার রিমন হোসেন। ম্যাচে তখন দুই দলেরই ১০ জন খেলোয়াড়। বাকি সময়টা ১০ বনাম ১০ লড়াই হলেও আর কোনো গোল হয়নি।

ইয়ংম্যান্সের বিপক্ষে ফর্টিসের পা ওমর ৬,৪২ ও ৪৫ মিনিটে তিন গোল করা ছাড়াও ওকাফোর দু’টি ও অনন্ত তামাং একটি গোল করেন। অপর গোল শান্ত টুডুর আত্মঘাতীতে। ইয়ংম্যান্সের গোলদাতা ইব্রাহিম। পিডব্লিউডির বিপক্ষে আবাহনীর সোলেমান দিয়াবাতে ৪৫ মিনিটে প্রথম গোল করেন। সৈয়দ শাহ কাজেম কিরমানী ৮৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান।