কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে সম্মত ইসলামাবাদ ও কাবুল

দ্য ডন
Printed Edition
পাকিস্তানের বিশেষ দূত মুহাম্মদ সাদিক ও আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী মৌলবি আমির খান মুত্তাকি : ইন্টারনেট
পাকিস্তানের বিশেষ দূত মুহাম্মদ সাদিক ও আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী মৌলবি আমির খান মুত্তাকি : ইন্টারনেট

পাকিস্তান ও আফগানিস্তান বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও আফগান শরণার্থীদের নিয়ে চলমান দ্বিপক্ষীয় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তাদের কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা জোরাল করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। শনিবার কাবুলে পাকিস্তানের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ দূত মুহাম্মদ সাদিক ও আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী মৌলবি আমির খান মুত্তাকির মধ্যে এক বৈঠকে দু’দেশের মধ্যে এ সমঝোতা হয়।

নিরাপত্তা উদ্বেগে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক নাজুক হয়ে ওঠার পর কূটনৈতিক সম্পর্ক উজ্জীবিত করতে পাকিস্তানি দূত সাদিক তিন দিনের এক সফরে প্রতিবেশী দেশ আফগানিস্তানে গিয়েছেন। আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, অনিষ্পন্ন বিষয়গুলোর সমাধান করতে উভয়পক্ষ যৌথ বৈঠক করা ও প্রতিনিধি বিনিময়ের বিষয়টিতে জোর দিয়েছে।

বৈঠকের পর পাকিস্তানি দূত সাদিকও সামাজিক মাধ্যম এক্স এ করা পোস্টে একই মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। পোস্টে তিনি বলেছেন, উভয় দেশ উচ্চ পর্যায়ের সম্পর্ক বৃদ্ধিতে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরাল করতে সংলাপের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে নিরাপত্তা উদ্বেগ প্রাথমিক সমস্যা হলেও আলোচনায় প্রাথমিকভাবে বাণিজ্য ও ট্রানজিটে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। বৈঠকে তাৎক্ষণিক কোনো সমাধান ছাড়াই বিতর্কিত বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

বিবৃতিতে আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “এই বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা, ট্রানজিট এবং আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে আদান-প্রদানের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।” আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যবর্তী তোরখাম সীমান্ত বন্দর টানা ২৭ দিন বন্ধ থাকার পর আবার খোলার মধ্য দিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য ফের চাঙ্গা হয়েছে। নির্মাণকাজ নিয়ে বিরোধে ২১ ফেব্রুয়ারি এই বন্দরটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।

বৈঠকে আরেকটি প্রধান সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে, সেটি হলো পাকিস্তানে অবস্থানরত আফগান শরণার্থীদের মর্যাদা। মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত পাকিস্তানে ৩১ লাখ আফগানি শরণার্থী আশ্রয় নিয়ে আছেন বলে এক হিসাবে বলা হয়েছে।