মোজতবা খামেনির সাথে পেজেশকিয়ানের সাক্ষাৎ

Printed Edition

এএফপি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সাথে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তবে তাদের এই সাক্ষাৎ ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান স্বয়ং সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সাথে সাক্ষাতের বিষয়টি জানিয়েছেন। গত মার্চের শুরুতে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনিকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভিডিও বার্তায় প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ‘এই বৈঠকে যা আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে, তা হলো ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতার দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি এবং তার বিনয়ী ও আন্তরিক আচরণ।’ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে যুদ্ধের প্রথম দিনে এক হামলায় আহত হয়েছিলেন মোজতবা খামেনি। একই হামলায় তার বাবা ও সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনি এখন পর্যন্ত কেবল লিখিত বিবৃতির মাধ্যমেই নিজের অবস্থান ও নির্দেশনা প্রকাশ করে আসছেন।

টানা তিন দশকেরও বেশি সময় ইসলামী প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্বে থাকার পর ৮৬ বছর বয়সে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তিনি ১৯৮৯ সালে ইরানের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা ৮৮ সদস্যের সংস্থা ‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মনোনীত করে। গত ৯ মার্চ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে ইরানের রাস্তাঘাটে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবার প্রতিকৃতি সর্বত্র দেখা গেলেও তিনি জনসমক্ষে অনুপস্থিত রয়েছেন। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানের এই বক্তব্যের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় পর সর্বোচ্চ নেতার সশরীরে উপস্থিতির বিষয়টি সামনে এল।