নয়া দিগন্ত ডেস্ক
যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা মিশেল ও লাভিনিয়া অসবোর্ন যমজ বোন। তবে ডিএনএ পরীক্ষায় জানা যায় তারা যমজ হলেও প্রত্যেকের জন্মদাতা আলাদা। অর্থাৎ, তারা যমজ বোন হলেও আসলে হাফ-সিস্টার বা সৎবোন।
এই ঘটনা একটি বিরল জৈবিক প্রক্রিয়ার ফসল, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ‘হেটেরোপ্যাটারনাল সুপারফেকান্ডেশন’। এই প্রক্রিয়ার জন্য একজন নারীকে একই ঋতুচক্রে একাধিক ডিম্বাণু উৎপাদন করতে হয় এবং সেই ডিম্বাণুগুলো ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হতে হয়। এরপর সেই ভ্রƒণগুলোর গর্ভাবস্থায় টিকে থাকা জরুরি। বিশ্বজুড়ে এ ধরনের মাত্র ২০টি ঘটনা শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
জানা গেছে, যুক্তরাজ্যে এ পর্যন্ত নথিবদ্ধ হওয়া এটিই একমাত্র ঘটনা, যেখানে যমজ বোনের বাবা ভিন্ন। ইন্টারনেট।



