আলকামা সিকদার মধুপুর (টাঙ্গাইল)
জিআই স্বীকৃতির পর এই প্রথম বাংলাদেশের মধুপুর উপজেলার সুস্বাদু আনারস আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের আরো একটি দেশে রফতানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে আনারস রফতানির সম্ভাবনা যাচাইয়ে পাকিস্তানের ন্যাশনাল প্ল্যান্ট প্রোটেকশন অর্গানাইজেশনের (এনপিপিও) প্রতিনিধিদল গত বৃহস্পতিবার মধুপুরে আনারস উৎপাদন এলাকা পরিদর্শন করেন।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন পাকিস্তানের এনপিপিও প্রতিনিধি মো: আকিব মেহেদী। সফরকালে তারা মধুপুরের আনারস উৎপাদনকারী এলাকা, সেন্ট্রাল প্যাক হাউজ ও ভ্যাপার হিট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে আনারস রফতানির বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, খুব শিগগিরই পাকিস্তানে বাংলাদেশী আনারস রফতানি শুরু হবে। এ সময় মধুপুর উপজেলা আনারস চাষ অধ্যুসিত এলাকা মহিষমারা, মোটেরবাজার, জলছত্র, পঁচিশমাইলসহ কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক (রফতানি) এ কে এম মফিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত উপপরিচালক (রফতানি) বি এম রকিবুল হাসান, অতিরিক্ত উপপরিচালক (রফতানি), সাবির আহমেদ, অতিরিক্ত উপপরিচালক-২ (প্রশাসন ও অর্থ উইং) রকিব আল রানা, পাকিস্তান সরকারের কীটতত্ত্ববিদ আকিব মেহেদী, টাঙ্গাইলের প্ল্যান্ট প্রোটেকশন বিভাগের উপপরিচালক আশেক পারভেজ, টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক (হর্টিকালচার) শোয়েব মাহমুদ, মধুপুর উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা তাজরী নূর রাত্রি, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এ বি এম খায়রুল ইসলাম, মোহাম্মদ এরশাদ আলী, সুরুজ আলী, রেহানা খাতুন, ফারুক হোসেন, আব্দুর রহিম রাজুসহ কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা।
সফরের অংশ হিসেবে প্রতিনিধিদল স্থানীয় আনারস চাষিদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং রফতানিযোগ্য আনারসের মাঠ পর্যায়ের উৎপাদন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে কৃষিপণ্য বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা মধুপুরের আনারস চাষিদের।



