(গত দিনের পর)
‘বাবা, আমি তোমার সাথে যাবো সেই দৈত্যের প্রাসাদে।’
‘কিন্তু মা, সে এক ভয়ঙ্কর দানব... ’
‘বাবা, তুমি বলেছ, সে কথা বলতে পারে; যুক্তি দিতে এবং যুক্তি বুঝতে পারে। তাহলে নিশ্চয়ই মনুষ্যত্বও বোঝে সে। আমি ভয় পাবো না।’
পরদিন তারা দুজনই সেই রহস্যময় প্রাসাদের দিকে রওনা হয়। পথে মেইলি প্রকৃতির অদ্ভুত পরিবর্তন দেখতে পেল- বরফের রাজ্য থেকে হঠাৎ বসন্তের দেশে যেন চলে এসেছেন তারা। মেইলি লক্ষ্য করল, প্রাসাদের যত কাছাকাছি আসছে, তাপমাত্রাও যেন তত বাড়ছে, মধুর হচ্ছে পরিবেশ। বসন্তের হাওয়া এসে লাগছে গায়।
প্রাসাদে ঢুকেই মেইলি মুগ্ধ হয়। এ যে রাজপ্রাসাদ! সবকিছুই প্রাচীন নিখুঁত শৈল্পিক কারুকাজে ভরা। প্রাসাদের মেঝে এবং দেয়াল পরিষ্কার ঝকঝকে-তকতকে, মূল্যবান সব আসবাবপত্র সাজানো গোছানো।
- (চলবে)



