সিদ্ধান্ত ছাড়াই ইয়াহিয়া খানের সাথে বৈঠক শেষ ষ নিজস্ব প্রতিবেদক

Printed Edition

১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকে বসেন। সে সময়কার প্রেসিডেন্ট হাউজ আজকের সুগন্ধায় অনুষ্ঠিত হয় বৈঠকটি। পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানকে পূর্ব পাকিস্তানের দাবিদাওয়া এবং অসন্তোষ ও তীব্র ক্ষোভের বিষয়টি অবহিত করা হয়। তবে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই ওই দিনের বৈঠক শেষ হয়।

প্রেসিডেন্ট ভবনের বাইরে মোতায়েনকৃত বাঙালি ইপিআরদের হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না। দীর্ঘ বাঁশের লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। সেদিন থেকে এসব বাঙালি ইপিআর জওয়ানদের হাত থেকে সামরিক কর্তৃপক্ষ অস্ত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠক শেষে পূর্ব পাকিস্তানের নেতারা সাংবাদিকদের বলেন, আলোচনা আরো চলবে। এর বেশি কিছু আমাদের বলার নেই। এদিন বিকেলে এক নির্দেশ জারি করা হয়। ওই নির্দেশে বলা হয়, এখন থেকে ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক কেন্দ্রের শুল্ককর, আবগারি কর ও বিক্রয় কর গ্রহণ করবে। কিন্তু এসব কর স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানে জমা দেয়া হবে না।

এ দিকে কবি আহসান হাবিব তাকে দেয়া ‘সিতারা-এ-খেদমত’ খেতাব বর্জন করেন। এ ছাড়া দুইজন ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৫ মার্চ পদত্যাগ করেন।

সারা দেশে গণজাগরণ ঠেকাতে পাকিস্তানি সেনারা রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের ড. জোহা হল, মুন্নুজান হল, যশোর, রংপুর সেনানিবাস, খুলনা, চট্টগ্রাম, ঢাকা পিলখানা, ফার্মগেট, রামপুরা ও কচুক্ষেত এলাকায় অসহযোগ আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়।