দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় এক নাবালিকাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ভুট্টােেত নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ধর্ষণের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশে। তবে মূল অভিযুক্ত এখনো পলাতক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই মাস আগে দর্শনা থানার নেহালপুর ইউনিয়নের কুন্দিপুর গ্রামের বেলে মাঠ এলাকায় তিন যুবক মিলে এক নাবালিকাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। অভিযোগ, গলায় চাকু ধরে তাকে ভুট্টােেত নিয়ে যায় মিরাজ (২৫)। সেখানে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এ সময় পলাশ (২৫) পুরো ঘটনা মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করে এবং জনি (২৩) পাহারা দেয়।
ঘটনার পর বিষয়টি দীর্ঘ দিন গোপন থাকলেও গত ২০ মে বুধবার ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই তা এলাকায় আতঙ্ক ও ােভের সৃষ্টি করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের মানসিক বিপর্যয় আরো বাড়িয়ে দিয়েছে।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে বুধবার রাতে দর্শনা থানা পুলিশ ভিডিও ধারণকারী পলাশ ও সহযোগী জনিকে গ্রেফতার করে। তবে মূল ধর্ষক মিরাজ পলাতক রয়েছে। দর্শনা থানার ওসি (তদন্ত) হিমেল রানা জানান, ঘটনাস্থল চুয়াডাঙ্গা সদর থানার আওতায় হওয়ায় মামলা সেখানে হয়েছে। গ্রেফতার দুই আসামিকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং মূল অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চলছে।
সমাজকর্মীরা বলছেন, ধর্ষণের ভিডিও ছড়ানো দ্বিতীয় অপরাধ, যা ভুক্তভোগীর প্রতি নিষ্ঠুরতা বাড়িয়ে দেয়। এ ধরনের ঘটনা রুখতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান ও সামাজিক সচেতনতা জরুরি।



