কলমিলতা মার্কেট পরিদর্শন

অগ্নিদুর্গতদের ক্ষতিপূরণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে : সাইফুল আলম খান এমপি

Printed Edition
আগুনে পুড়ে যাওয়া রাজধানীর কলমিলতা কাঁচাবাজার পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ :  নয়া দিগন্ত
আগুনে পুড়ে যাওয়া রাজধানীর কলমিলতা কাঁচাবাজার পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন জামায়াত নেতৃবৃন্দ : নয়া দিগন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিজয় সরণি কলমিলতা মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দঁাঁড়াতে সরকার, রাজনৈতিক দল, সরকারি-বেসরকারি দাতা সংস্থাসহ সমাজের বিত্তবান মানুষকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান এবং অগ্নিদুর্গতদের জামায়াতের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৭.৩০টায় রাজধানীর বিজয় সরণি মোড়-সংলগ্ন কলমিলতা কাঁচাবাজারে অগ্নিকাণ্ডের পর পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, প্রতি বছরই রাজধানীসহ সারা দেশে অনেক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঘটনার পর সরকার বা সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে বেশ তৎপর মনে হলেও এ ধরনের দুঃখজনক ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং ভবিষ্যতের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় না। দেশে অগ্নিনির্বাপণে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও নেই। সেকেলে ও প্রচলিত পদ্ধতিতে অগ্নিনির্বাপণের কাজ হওয়ায় প্রতি বছরই জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে।

ভোর আনুমানিক ৫টায় ওই বাজারে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের প্রচেষ্টায় বেলা ১০টা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে কাঁচাবাজার, গোস্ত দোকান, মাছ বাজার, দর্জির দোকানসহ সবকিছু ভস্মীভূত হয়েছে।

জামায়াত নেতৃবৃন্দ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ঘুরে ঘুরে দেখেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে একান্তে কথা বলেন এবং তাদের জন্য সম্ভব কিছু করার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য হেমায়েত হোসেন, অধ্যক্ষ আশরাফুল হক, তেজগাঁও থানার আমির ও ২৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নো’মান আহমেদী, সেক্রেটারি ফরিদ আহমেদ রুবেল প্রমুখ।