জ্বালানি নিরাপত্তায় সৌরবিদ্যুৎ

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে এর বহুমুখী ইতিবাচক প্রভাব সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রতিফলিত হয়। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ শিল্প উৎপাদন বাড়ায়, বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হয়, ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং জনগণের আয় বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমে, যা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক। বাংলাদেশ যদি সময়োপযোগী নীতি গ্রহণ করে এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সৌর খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে পারে, তবে এটি জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জনের পাশাপাশি একটি টেকসই ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে

বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় জ্বালানি হলো অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, শিল্পায়ন, কৃষি উৎপাদন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং সামগ্রিক জীবনমানের অন্যতম প্রধান নিয়ামক। জ্বালানি ছাড়া অর্থনীতি কার্যত অচল। বাংলাদেশ গত এক দশকে যথেষ্ট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করলেও জ্বালানি খাতে কাঠামোগত দুর্বলতা ও আমদানিনির্ভরতার কারণে উন্নয়নের ধারা ঝুঁকির মুখে রয়েছে। ডিজেল এখনো প্রায় পুরোটা আমদানি করতে হয়। পেট্রোল ও অকটেন মাত্র ৪০ শতাংশের মতো দেশে উৎপাদিত হয়, বাকি ৬০ শতাংশ আমদানি করতে হয়। কেরোসিন পুরোটাই আমদানি করতে হয়। প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ হ্রাস, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস-এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামের অস্থিরতার কারণে জ্বালানি নিরাপত্তা এখন কৌশলগত চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় ৫০-৫৫ শতাংশ আসে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে, ৩০ শতাংশের বেশি তেলভিত্তিক (ডিজেল ও ফার্নেস অয়েল) এবং বাকি অংশ কয়লা ও আমদানি করা বিদ্যুৎ থেকে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির অবদান এখনো ২-৩ শতাংশ মাত্র। দেশীয় গ্যাস উৎপাদন ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। ২০১০ সালে যেখানে দৈনিক গ্যাস উৎপাদন ছিল প্রায় দুই হাজার মিলিয়ন ঘনফুট, বর্তমানে তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে এবং ঘাটতি বেড়েই চলেছে। ফলে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির দিকে ঝুঁকতে হয়েছে। কিন্তু এই আমদানি অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ২০২২-২৩ অর্থবছরে আন্তর্জাতিক বাজারে এই গ্যাসের দাম দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যায়, ফলে বাংলাদেশকে অতিরিক্ত বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ সৃষ্টি হয় এবং টাকার অবমূল্যায়নের ঝুঁকি বাড়ে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ বিশ্লেষণ করলে পরিস্থিতি আরো পরিষ্কার হয়। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ প্রায় ৪৯-৫০ টাকা প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা, ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রায় ৩০-৩৫ টাকা এবং ফার্নেস অয়েল প্রায় ২৫-২৭ টাকা। তুলনামূলকভাবে দেশীয় গ্যাসের খরচ কম হলেও সরবরাহ সীমিত। ফলে সরকারকে উচ্চমূল্যের বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। প্রতি বছর বিদ্যুৎ খাতে হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়ায় বাজেটের ওপর চাপ পড়ছে।

সূর্যের আলো হতে পারে দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির নতুন ক্ষেত্র। এ জন্য প্রয়োজন কার্যকর নীতি এবং সমন্বিত উদ্যোগ।

বর্তমান বিশ্বে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে অভূতপূর্ব বিপ্লব ঘটেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, এই খাতের দ্রুত বিকাশ ঘটছে। বেশ কিছু দেশ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। আবার কিছু দেশে সীমাবদ্ধতা ও আংশিক ব্যর্থতার উদাহরণও দেখা যায়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বিশ্বব্যাপী মোট নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের মধ্যে সৌরবিদ্যুতের অংশ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় এক হাজার ৬০০ গিগাওয়াট স্থাপিত সক্ষমতায় পৌঁছেছে। চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জার্মানি ও স্পেন সৌর শক্তি ব্যবহারে সবচেয়ে সফল। চীন একাই বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ সৌর সক্ষমতা ধারণ করে।

৬০০ গিগাওয়াটের বেশি সৌর সক্ষমতা নিয়ে চীন শীর্ষে অবস্থান করছে, যেখানে ভারত প্রায় ৮০-৯০ গিগাওয়াট এবং যুক্তরাষ্ট্র ১৫০ গিগাওয়াটেরও বেশি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। বাংলাদেশের সৌর সক্ষমতা এখনো এক গিগাওয়াটেরও নিচে, যা সম্ভাবনার তুলনায় নগণ্য। এই পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবে নির্দেশ করে, বৈশ্বিক প্রবণতার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে বাংলাদেশকে দ্রুত সৌর খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।

প্রতি ইউনিট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন খরচের আন্তর্জাতিক তুলনাও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সৌরবিদ্যুতের গড় সমতলীকৃত উৎপাদন ব্যয় বর্তমানে প্রতি কিলোওয়াট-ঘণ্টা ২-৪ টাকা সমপর্যায়ে নেমে এসেছে। বিশেষ করে সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে বৃহৎ সৌর প্রকল্পগুলো অত্যন্ত কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। ভারতে এই খরচ গড়ে ৩-৫ টাকার মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে বর্তমানে সৌরবিদ্যুতের গড় উৎপাদন খরচ ৮-৯ টাকা, যা তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও দ্রুত কমছে। এর প্রধান কারণ জমির উচ্চমূল্য, অর্থায়নের ব্যয় এবং প্রযুক্তি আমদানিনির্ভরতা।

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়ের কাঠামো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ ৪৯-৫০ টাকা, ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎ ৩০-৩৫ টাকা এবং ফার্নেস অয়েল ২৫-২৭ টাকা প্রতি ইউনিট। তুলনায় সৌরবিদ্যুৎ ৮-৯ টাকা হওয়ায় এটি প্রায় ৩-৬ গুণ সাশ্রয়ী।

জ্বালানি সাশ্রয়ের দিক থেকে সৌরবিদ্যুতের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাসবিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। যদি এর একাংশ সৌরবিদ্যুৎ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যায়, তাহলে গ্যাস সাশ্রয় করে তা শিল্প খাতে ব্যবহার করা সম্ভব, যা উচ্চমূল্য সংযোজন সৃষ্টি করবে। একইভাবে, ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবহার কমানো গেলে প্রতি বছর বিপুল জ্বালানি আমদানি কমানো সম্ভব হবে। এই প্রেক্ষাপটে সৌর বিদ্যুৎ একটি যুগান্তকারী সমাধান হিসেবে আবির্ভূত। গত এক দশকে সৌরবিদ্যুতের খরচ প্রায় ৮৫ শতাংশ কমেছে, ফলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে সস্তা জ্বালানি উৎসগুলোর একটি। সৌরবিদ্যুতের আরেকটি বড় সুবিধা হলো এর মূল্য স্থিতিশীলতা। জীবাশ্ম জ্বালানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে দর ওঠানামার কারণে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ অনিশ্চিত। কিন্তু সৌরবিদ্যুতের ক্ষেত্রে একবার স্থাপন করার পর জ্বালানি খরচ প্রায় শূন্য, ফলে দীর্ঘমেয়াদে খরচ স্থিতিশীল থাকে।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী বছরে গড়ে ৩০০ দিনের বেশি সূর্যালোক পাওয়া যায় এবং সৌর বিকিরণ ৪-৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা প্রতি বর্গমিটার প্রতিদিন। এই সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে বিপুল বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। ইতোমধ্যে দেশে প্রায় ছয় মিলিয়নের বেশি সৌর হোম সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে, যা বিশ্বে অন্যতম বৃহৎ অফ-গ্রিড সৌর উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত।

অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব আরো গভীর। যদি বাংলাদেশ ১০ গিগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে, তাহলে প্রতি বছর বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি আমদানি কমানো সম্ভব হবে। এক গবেষণা অনুযায়ী, মাত্র এক গিগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ ২৫ বছরে প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত আমদানি ব্যয় সাশ্রয় করতে পারে।

কৃষি খাতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করে। বর্তমানে প্রায় ১৫-২০ লাখ ডিজেলচালিত সেচপাম্প ব্যবহৃত হয়, যা কৃষকের জন্য ব্যয়বহুল। যদি এর বড় অংশ সৌরচালিত পাম্পে রূপান্তর করা যায়, তাহলে বছরে হাজার কোটি টাকার ডিজেল সাশ্রয় সম্ভব। কৃষকরা দীর্ঘমেয়াদে ৩০-৪০ শতাংশ পর্যন্ত খরচ সাশ্রয় করতে পারে।

শিল্প ও বাণিজ্য খাতে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার দেশের রফতানি সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিদ্যুতের উচ্চমূল্য শিল্প উৎপাদনের অন্যতম প্রধান বাধা। রুফটপ সৌর ব্যবস্থার মাধ্যমে শিল্প খাতে বিদ্যুৎ চাহিদার ২০-৩০ শতাংশ পূরণ করা গেলে উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।

পরিবেশের দিক থেকেও সৌরবিদ্যুৎ অপরিহার্য। জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারে কার্বন নিঃসরণ বাড়ে, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ। সৌর বিদ্যুৎ সম্পূর্ণ কার্বনমুক্ত। তাই পরিবেশবান্ধব।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ উপায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কিন্তু এই খাতে সম্ভাবনার পাশাপাশি বেশ কিছু বাস্তব ও কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান, যা অগ্রগতি মন্থর করে। দেশে ভূমির স্বল্পতা বড় বাধা, কারণ বৃহৎ আকারের সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের জন্য বিপুল জমি প্রয়োজন। একই সাথে সৌর প্যানেল, ইনভার্টার এবং ব্যাটারি স্থাপনের জন্য প্রাথমিকভাবে বড় আকারে বিনিয়োগের দরকার হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ গ্রিড অবকাঠামো এখনো পুরোপুরি আধুনিক নয়। ফলে সৌরবিদ্যুতের কার্যকর ব্যবস্থাপনা করা কঠিন। এর সাথে আছে উন্নত ব্যাটারি সংরক্ষণ প্রযুক্তির অভাব, যার কারণে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ সংরক্ষণ করা যায় না। প্রযুক্তিগত দক্ষতার ঘাটতি এবং জটিল নীতিগত প্রক্রিয়াও এ খাতের বিকাশের প্রতিবন্ধক।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার ও ব্যক্তি উভয় পর্যায়েই সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। সরকার নতুন ভবনে রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ বাধ্যতামূলক করতে পারে, যা শহরাঞ্চলে জমির চাপ কমাবে এবং বিকেন্দ্রীভূত বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াবে। একই সাথে দেশের হাওর, বিল ও জলাশয়গুলোতে ভাসমান সৌর প্রকল্প স্থাপনের মাধ্যমে জমির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। সৌর যন্ত্রপাতি আমদানিতে কর ছাড়, সহজ ঋণ সুবিধা এবং প্রণোদনা দিলে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়বে। পাশাপাশি স্মার্ট গ্রিড প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বিনিয়োগ বাড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে ব্যক্তি পর্যায়ে বাসাবাড়ি ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে রুফটপ সোলার ব্যবহার, যৌথভাবে সৌর প্রকল্পে বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে এই খাত এগিয়ে নেয়া সম্ভব। সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একটি দক্ষ জনশক্তি তৈরি করাও অপরিহার্য।

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে এর বহুমুখী ইতিবাচক প্রভাব সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রতিফলিত হয়। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ শিল্প উৎপাদন বাড়ায়, বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে সহায়ক হয়, ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয় এবং জনগণের আয় বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমে, যা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক।

বাংলাদেশ যদি সময়োপযোগী নীতি গ্রহণ করে এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সৌর খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে পারে, তবে এটি জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জনের পাশাপাশি একটি টেকসই ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে।

লেখক : অর্থনীতিবিদ, গবেষক ও কলামিস্ট

[email protected]