উপসম্পাদকীয়

জিয়ার দর্শন : পাহাড়ে রাষ্ট্রের শক্ত উপস্থিতি

জিয়ার দর্শন : পাহাড়ে রাষ্ট্রের শক্ত উপস্থিতি

পাহাড় আমাদের সম্পদ। এই সম্পদ রক্ষার জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা। জিয়ার নিরাপত্তা দর্শন আমাদের শিখিয়েছিল, সার্বভৌমত্ব কোনো কাগুজে বিষয় নয়, এটি সরাসরি মাটির সাথে সম্পর্কিত। পাহাড়ে রাষ্ট্রের শক্ত উপস্থিতি কেবল দমন-পীড়নের জন্য নয়; বরং সেখানকার প্রতিটি নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। আসলে পাহাড় নিয়ে আমাদের নীতিনির্ধারকদের ভাবনায় ঘাটতি আছে। তারা পাহাড়কে দেখেন পর্যটন স্পট হিসেবে; কিন্তু জিয়া দেখেছিলেন ‘প্রতিরক্ষা দুর্গ’ হিসেবে

নতুন মোড়কে পুরনো মদ

নতুন মোড়কে পুরনো মদ

বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে বড় সঙ্কট ক্ষমতার নয়, ন্যায়-শৃঙ্খলা-ঐক্যের। পুরনো বয়ান নতুন করে চাপিয়ে দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়া যায় না। রাজনীতি মানে কেবল রাজপথ দখল নয়, সঠিক বয়ান তৈরি করা। এই বয়ানই ঐক্য গড়ে, এই বয়ানই রাজপথের শক্তি হয়ে ওঠে, এই বয়ানই শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় পৌঁছে দেয়

বন্দে মাতরম : এক তীরে অনেক শিকার

বন্দে মাতরম : এক তীরে অনেক শিকার

বিজেপির সাথে হুমায়ুন কবিরের সম্পর্ক অনেক পুরনো। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে লড়াই করে হেরেছেন। পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। এবার তৃণমূল থেকে তার টিকিট পাওয়ার আশা নেই, এ জন্য তিনি বিজেপির সহযোগিতায় এমন এক কাজ করলেন, যার মাধ্যমে তিনি যেন অর্থ ও খ্যাতি উভয়টি একসাথে অর্জন করতে পারেন। শোনা যাচ্ছে, কথিত বাবরি মসজিদে ৩০০ কোটি রুপি অর্থ খরচ হবে। এ অর্থ কোথা থেকে আসবে, তা বলার প্রয়োজন নেই। বিজেপি নিজেদের কোষাগারের মুখ খোলা রেখেছে

বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার

বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরাধিকার

মহীয়সী এই নেত্রীর প্রতি মানুষের ভালোবাসা এত গভীর ছিল, বাংলাদেশের তিনজন সম্মানিত আলেম, শায়খ আহমাদুল্লাহ, ড. মিজানুর রহমান আজহারী ও মাওলানা মামুনুল হক, তার কফিন বহন করে কবরে রাখেন। সাবেক নারী প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আলেমদের এই সর্বোচ্চ সম্মান এক বিরল দৃষ্টান্ত। এটি তারই অর্জন ছিল।

দ: এশিয়ায় জাতিগত রাজনীতিকরণ ও বাংলাদেশ

দ: এশিয়ায় জাতিগত রাজনীতিকরণ ও বাংলাদেশ

দক্ষিণ এশিয়ায় জাতিগত রাজনীতিকরণ সমসাময়িক রাষ্ট্রব্যবস্থার একটি কেন্দ্রীয় বাস্তবতা। এটি সঙ্কটের উৎসও হতে পারে, আবার গণতান্ত্রিক অন্তর্ভুক্তির পথও খুলে দিতে পারে। কোন পথে এটি এগোবে, তা নির্ভর করে রাষ্ট্র, রাজনীতি ও সমাজের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ওপর। দায়িত্বশীল নীতি ও পরিমিত দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে এই বাস্তবতাকে বিভাজনের নয়; বরং সহাবস্থান ও স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে রূপ দেয়া সম্ভব।