উপসম্পাদকীয়
ঈদ, আনন্দ-নিরানন্দ
সব কিছুর ভেতর দিয়ে শেষ পর্যন্ত এসে দাঁড়াতে হয় এক জায়গায়— বাংলাদেশের আগামী কী? দুর্ঘটনা, বিশৃঙ্খলা, সঙ্কট আর অনাস্থাকে সঙ্গী করেই কি পথ চলবে দেশ, নাকি সত্যিই কোনো পরিবর্তনের দিকে মোড় নেবে? এই প্রশ্নের উত্তরটাই আসলে ‘জুলাই সনদ’। এটি শুধু একটি দলিল নয়, বরং দিক বদলের ঘোষণা। অব্যবস্থাপনা থেকে শৃঙ্খলায়, অনাস্থা থেকে আস্থায়, আর ক্ষমতার এককেন্দ্রিকতা থেকে জনগণের অধিকার ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার দিকে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি। এই সনদকে কাগজে সীমাবদ্ধ না রেখে, বাস্তব করতে হবে। না হয় ঈদ আসবে, ঈদের পরও আসবে। কিন্তু বাংলাদেশ থেকে যাবে সেই পুরনোতেই
‘এই সংবিধান হলো আওয়ামী লীগের ইশতেহার’
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন জনগণের উদ্দেশে যে বেতার ভাষণ দেন তাতে বলেন : ‘বাংলাদেশের নিরন্ন দুঃখী মানুষের জন্য রচিত হোক এক নতুন পৃথিবী যেখানে মানুষ মানুষকে শোষণ করবে না। আমাদের প্রতিজ্ঞা হোক ক্ষুধা, রোগ, বেকারত্ব আর অজ্ঞতার অভিশাপ থেকে মুক্তি। গড়ে উঠুক নতুন গণশক্তিকেন্দ্রিক সমাজব্যবস্থা, গণমানুষের কল্যাণে সাম্য আর সুবিচারের ভিত্তিপ্রস্তরে লেখা হোক জয় বাংলা, জয় স্বাধীন বাংলাদেশ’
বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিম ভোট কোন দিকে
এবারের মুসলিম ভোট কোনো দলের একচেটিয়া নয়। তার ওপর তৃণমূলের সাসপেন্ডেড বিধায়ক মুর্শিদাবাদের আম-জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির এবং ভারতের বাগ্মীপ্রবর সংসদ সদস্য আইমিমের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আসাদুদ্দিন ওয়েসির জোট মমতাকে চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। হুমায়ুন নিজে মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে জিতলেও এই দুই দলের জোট যে ভোটটা কাটবে তা কিন্তু তৃণমূলকে ভরাডুবি করবে। তাই মুসলিম ভোট এবারের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে একচেটিয়া সম্পদ নয়।
রাজনৈতিক বৈধতার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ
মামলা, পীড়ন, প্রচণ্ড শারীরিক নিগ্রহ ও চাকরিতে লাঞ্ছনার কষ্টকর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এই লেখক অগণিত বনি আদমের একজন সমগোত্রীয় হয়ে পড়েছিলেন। একজন পূর্বপরিচিত আর একজন বেদনাহত অথচ আল্লাহর প্রতি গভীর ঈমানে উদ্বুদ্ধ এই লেখক আপনাকে মহান রাব্বুল আলামিনের নির্দেশ, রাসূলে করিম সা:-এর আদর্শ ও দেখানো পথে, আপনার ঘোষিত ওয়াদা রক্ষা করে রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালনার জন্য; আজাদি ও ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার নিমিত্তে উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে। ফি আমানিল্লাহ
স্বাধীনতার হিসাব-নিকাশ
স্বাধীনতার হিসাব-নিকাশ কেবল অতীতের সাফল্য ও ব্যর্থতার তালিকা নয়; এটি বর্তমানের দায়বদ্ধতা এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনার আয়না। ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী হলেও প্রতিষ্ঠান টেকসই; আর ব্যক্তি নেতৃত্বের ঊর্ধ্বে গিয়ে ন্যায়, জবাবদিহি ও আইনের শাসনই রাষ্ট্রকে স্থিতিশীলতা দেয়। এই বাস্তবতায় স্বাধীনতার প্রকৃত অর্থ নতুনভাবে অনুধাবন করা জরুরি— এটি কেবল ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব নয়, বরং নাগরিকের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার এবং অংশগ্রহণমূলক শাসনের নিশ্চয়তা। উন্নয়নের পরিসংখ্যান, অবকাঠামোগত অগ্রগতি কিংবা রাজনৈতিক স্লোগানের বাইরে গিয়ে রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি নির্ধারিত হয় তার প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা, নৈতিক ভিত্তি এবং জনগণের আস্থার ওপর







