উপসম্পাদকীয়
শান্তির সপক্ষে বিশৃঙ্খলার বিপক্ষে
নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে এমন এক সরকারব্যবস্থার উদ্ভাবন এবং নির্বাচনে পদ্ধতি হিসেবে এমন এক পদ্ধতি অনুসরণ, যা জনমতের প্রকৃত প্রতিফলনে দেশের সামগ্রিক জনসাধারণের সমর্থনের ভিত্তিতে সরকার পরিবর্তনের পথ দেখাবে। এ লক্ষ্যে উপনীত হতে আমাদের রাজনীতিবিদরা নিজেদের দেশপ্রেম ও আত্মসম্মানের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে যদি দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেন, সেক্ষেত্রে কোনো বৈদেশিক শক্তি আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মাথা ঘামিয়ে ফলদায়ক কিছু পাবে না। তাই পৃথিবীর শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো নিজেদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে যেমন শান্তির সপক্ষে বিশৃঙ্খলার বিপক্ষে, আমাদেরও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সামগ্রিকভাবে অর্থনৈতিক উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য অবশ্যই অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে শান্তির সপক্ষে আর বিশৃঙ্খলার বিপক্ষে থাকতে হবে
দেশের রাজনীতির সম্ভাব্য গতিপথ
দলটি যদি জন্মক্ষণের রাজনৈতিক অবস্থানে বদল আনার চেষ্টা করে, তাহলে আধিপত্যবাদবিরোধী এদেশের মানুষের কাছে বিএনপির প্রাসঙ্গিকতা সম্ভবত থাকবে না। তখন আধিপত্যবাদবিরোধী বিপুল জনগোষ্ঠী বিএনপি থেকে মুখ ফিরিয়ে এমন দলের প্রতি আস্থা রাখবেন, যে দলের আদর্শ তাদের রাজনৈতিক চেতনার সাথে যায়। এক্ষেত্রে দেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষের কাছে জামায়াতই হতে পারে সবচেয়ে সঠিক বিকল্প। তাই বলা যায়, আগামী দিনে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন এবং ভারতের প্রতি নতুন সরকারের মনোভাবের ওপর নির্ভর করবে এদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপ্রকৃতি






