অভিমত
দেড় যুগ অপেক্ষার অবসান, ফিরছেন তারেক রহমান
দেড় যুগের প্রতীক্ষা শেষে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন আশার সূচনা করবে। এটি কেবল একজন নেতার ঘরে ফেরা নয়; এটি ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। এই সময়ে দায়িত্বহীনতা নয়, প্রয়োজন সর্বোচ্চ সতর্কতা, সংযম এবং রাষ্ট্রীয় প্রজ্ঞার পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগ। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন জাতির জন্য আশার দীপশিখা হয়ে উঠুক-এই প্রত্যাশাই আজ লাখো-কোটি মানুষের হৃদয়ের একক প্রত্যাশা।
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে ওসমানী কেন অনুপস্থিত?
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পশ্চাৎপসরণ ও পরবর্তী সময়ে আত্মসমর্পণের পর ভারতীয় বাহিনী বিভিন্ন সেনানিবাস ও কলকারখানা লুটের যে মহোৎসব চালায়, কর্নেল ওসমানী ঢাকায় উপস্থিত থাকলে তা সম্ভব হতো না। অসাধারণ দেশপ্রেমিক কর্নেল ওসমানী হয়তো মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে তা রুখে দিতেন। যার ফলে মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে পড়ত
তেহরানে বায়ুদূষণ, বিপুল ক্ষতি
ঢাকা আর তেহরান দুটো শহরের ইতিহাস বহন করে মসজিদের আঙিনায় দীর্ঘ প্রার্থনা, কবির ছন্দ, রাস্তায় মানুষের চায়ের আড্ডা আর জীবনের দৃঢ়তা। কিন্তু এখন এই দুটো শহরই প্রতিদিন এমন এক যুদ্ধে লড়ছে যার অস্ত্র নেই, সৈন্য নেই, শুধু আছে অদৃশ্য বিষ আর হাঁপাতে থাকা লাখো মানুষ







