মতামত
সম্পাদকীয়
❯বিজয়ী দলের সহনশীলতা কাম্য
আমরা আশা করি, নির্বাচনে বিজয়ী দলের কর্মকাণ্ডে জনআকাঙ্ক্ষার বাস্তব প্রতিফলন ঘটবে।
এখনই লাগাম টানুন
নির্বাচন শেষ, রাজনৈতিক উত্তাপও কমে আসছে। এখন সময় অর্থনৈতিক স্থিতি ফিরিয়ে আনার। ভোটের ছুটিতে যে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে, তার লাগাম দ্রুত টানতে না পারলে সিন্ডিকেট আরো সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। সঙ্গতকারণে রমজানের আগেই বাজার স্থিতিশীল করা গেলে সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফিরবে। না হয় ভোগান্তির বোঝা আরো ভারী হবে, যা কোনোভাবে কাম্য নয়।
অভিমত
❯ভোর মানেই দিন নয়, দিনের শুরু কাজে
মানুষ জানতে চাইবে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কী ভূমিকা নেয়া হলো। সেই সাথে অর্থনৈতিক দুর্বৃত্তপনা বন্ধে কী করা হচ্ছে, কর্মসংস্থান ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন এলো কি না। এই প্রশ্নগুলো তুলতে হবে নাগরিকদেরই। জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে রাজনীতির অভ্যাস বদলায় না, ক্ষমতার চরিত্রও বদলায় না। আমরা দীর্ঘ অন্ধকার দেখেছি। একটা নির্বাচনের মাধ্যমে এবার সত্যিই ভোরের আলো এসেছে; কিন্তু ভোর মানেই দিন নয়। দিন শুরু হয় কাজ দিয়ে, দায়িত্ব দিয়ে, প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দিয়ে
বাংলাদেশে একক ভ্যাট হারের প্রাসঙ্গিকতা
বাজারে ক্রয় করতে গেলে সাদা চোখে দেখা যায় যে, কী পরিমাণ ভ্যাট-ফাঁকি হচ্ছে। ভ্যাট চালানপত্র দেয়ার এবং নেয়ার সংস্কৃতি এখনো দেশে গড়ে ওঠেনি। তাই বাংলাদেশে ভ্যাট সংস্কারের মূল ফোকাস হওয়া দরকার বিক্রয় তথ্য সঠিকভাবে রেকর্ড করা, অর্থাৎ ইনভয়েস অটোমেশন। ইনভয়েস অটোমেশন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। ভ্যাটযোগ্য, ভ্যাটযোগ্য নয় বিক্রির সব ইনভয়েস অটোমেটেড পদ্ধতিতে জারি করে সার্ভারে তথ্য সংরক্ষণ করার মধ্যে রয়েছে বড় ধরনের সফলতা। এ সফলতার ব্যাপ্তি ভ্যাটের ক্ষেত্র ছাড়িয়ে আয়কর, অ্যাকাউন্টস, ডেটা ব্যবস্থাপনায় পৌঁছে যাবে। এ কাজ কঠিন নয়। প্রয়োজন হলো সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ
স্বপ্ন ও সম্ভাবনায় উদ্ভাসিত বাংলাদেশ : এক নতুন ভোরের প্রতীক্ষা
এই নির্বাচন তাই কেবল আরেকটি ভোট নয়; এটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের এক সন্ধিক্ষণ। এই নির্বাচন হোক গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণের প্রতীক, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রগঠনের সূচনা এবং স্বপ্ন ও সম্ভাবনায় উদ্ভাসিত এক নতুন বাংলাদেশের পথচলা।
রোহিঙ্গা সঙ্কট : নতুন সরকারের অগ্রাধিকারে থাকা উচিত
পাশাপাশি বাস্তবিক অর্থে এটি স্পষ্ট যে, কেবল ব্যক্তিগত প্রভাব নয়, বরং সেই প্রভাবকে ‘বাস্তব সক্ষমতা’ (Hard Power) ও কার্যকর দ্বিপক্ষীয় দরকষাকষিতে রূপান্তর করতে না পারলে এই মানবিক ট্র্যাজেডির অবসান সম্ভব নয়। রোহিঙ্গাদের দেয়া এই বিশাল আশ্বাসের বাস্তবায়ন না হওয়া বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক নৈতিক অবস্থানকেও দুর্বল করে দিতে পারে। উপরন্তু নতুন সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর জন্য এক বিশাল পরীক্ষা হিসেবে তোলা রেখে গেলেন এই বিষফোঁড়া বিবেচ্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুটি।
পাঠকের অভিমত
❯সার্জেন্ট জহুরুল হক
২৫ মার্চ গণ-আন্দোলনের মুখে পতন ঘটে দশ বছর স্থায়ী আইয়ুব সরকারের। সার্জেন্ট জহুরুল হকের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড পূর্ববাংলায় জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে শাণিত করে তোলার ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা পালন করে। এ পথ ধরেই সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম।
নারী সম্মানের : রাজনৈতিক হাতিয়ার নয়
রাজনীতিতে প্রতিপক্ষের ওপর চড়াও না হয়েও প্রতিপক্ষের ওপর প্রতিশোধ বা চড়াও হওয়া যায়। যেমন হ্যাকারদের নিয়ে সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া জানানোর মাধ্যমে; রাজনৈতিক সৌন্দর্য প্রকাশ পেতো এবং একইসাথে নারীর অধিকারও চাওয়া যেতো। যার মাধ্যমে এক ঢিলে দুই পাখি; রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও প্রতিপক্ষকে আঘাত করেও সহমর্মিতার সহযোদ্ধা হওয়া যেতো। প্রতিষ্ঠিত হতো রাজনৈতিক সৌন্দর্য এবং নারী সম্মানের; রাজনৈতিক হাতিয়ার নয়।
স্মরণ প্রফেসর মুহম্মদ আবদুল গফুর
আরবি সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান, প্রত্নতত্ত্ব প্রভৃতি বিষয়ের পণ্ডিত, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্যভাষা এবং পরে আরবি ও ফারসি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন প্রফেসর মুহম্মদ আবদুল গফুর।



