মতামত

অভিমত

সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

‘ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের শূন্যতা দীর্ঘ দিন আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাহিত্যিক পরিসরে অনুভূত হবে। তিনি ছিলেন আলো–নীরব, গভীর ও স্থায়ী।’

খান এ সবুর : রাজনীতির ধ্রুবতারা

খান এ সবুর কেবল নিজ আদর্শের প্রতি অবিচল ছিলেন না; বরং রাজনৈতিক শিষ্টাচারের ক্ষেত্রেও ছিলেন অনুকরণীয়। আদর্শিক ভিন্নতা থাকলেও জনস্বার্থে ও সহমর্মিতায় তিনি ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।

নির্বাচন, সহিংসতা ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রশ্ন

ভয় ও সহিংসতা গণতন্ত্রকে দুর্বল করে। পক্ষপাতদুষ্ট মিডিয়া সেই ভয়কে আরো বাড়িয়ে দেয়। মিডিয়া যদি ক্ষমতার পালাবদলের খেলায় নামে, তাহলে তারা আর পাহারাদার থাকে না। খেলোয়াড় হয়ে যায়। গণতন্ত্রে এটি সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থা। এ সময়ে মিডিয়ার দরকার ছিল সংযম। দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, অনেক মিডিয়া আগুনে ঘি ঢালছে। পক্ষপাতদুষ্ট মিডিয়া গণতন্ত্রের পথ দেখায় না; বরং পথ হারিয়ে ফেলে। গণতান্ত্রিক উত্তরণ কেবল নির্বাচন দিয়ে হয় না। এটি হয় দায়িত্বশীল রাজনীতি ও দায়িত্বশীল মিডিয়ার মাধ্যমে। মিডিয়া যদি নিজের আয়নায় নিজেকে না দেখে, তাহলে প্রশ্ন থেকে যাবে– এ উত্তরণ কি আদৌ সম্ভব

ঘরের ভেতর ঘর বানানো ঠিক না

ঘরের ভেতরে তৈরি ঘর থেকে ঠিক করে দেওয়া হয়, মানুষ কী ভাববে, কী নিয়ে ভয় পাবে, কাকে বিশ্বাস করবে আর কাকে সন্দেহ করবে। এই মানসিক মানচিত্র তৈরির সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার হলো গণমাধ্যম। বিশেষ করে সেসব গণমাধ্যম, যেগুলো বাইরে থেকে বিশ্বাসযোগ্য বলেই মনে হয়। সেসব গণমাধ্যম, যেগুলোতে শহুরে মধ্যবিত্তদের সকালের অভ্যাসের অংশ হওয়ার উপাদান থাকে। এই গণমাধ্যমগুলোর ভাষা হয় ঝরঝরে। বাক্য হয় পরিপাটি। এতে পাঠকদের কাছে প্রভাব ধরে রাখতে পারে তারা। এই গণমাধ্যমগুলো চিৎকার করে না, গালি দেয় না; বরং বেশি করে মানবিক শব্দ ব্যবহার করে

পাঠকের অভিমত

ফ্যাসিবাদ পরবর্তী নতুন ডাকসু ও জনপ্রত্যাশা

এবার ডাকসু নির্বাচন হয়েছে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে পুরো দেশবদলের চেতনার আলোতে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরিপূর্ণভাবেই উদগীরিত স্ফূলিঙ্গের মতো টেনেছে, প্রেরণা যুগিয়েছে সবাইকে। দেশবাসী বুক ভরা আশা নিয়ে স্বপ্ন বুনেছে ডাকসু হবে জুলাই চেতনার অনবদ্য কণ্ঠস্বর, শহীদদের আকাঙ্ক্ষার রক্ষাকবচ, ফ্যাসিবাদবিরোধী জাগরুক অগ্নিস্ফুলিঙ্গ।

ইসলামী ব্যাংকের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের উপায়

‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা ইসলামী ব্যাংককে কৌশলে সমূলে ধ্বংসের তৃতীয় পদক্ষেপ শুরু করে। ফ্যাসিস্ট হাসিনা চট্টগ্রামের শিল্পপতি মাফিয়া চক্রের হোতা এস আলম গ্রুপের হাতে তুলে দেয়। ব্যাংকটি দখল করার জন্য ব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সংস্থাকে। ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা আনোয়ার, পরিচালনা পর্ষদ সদস্যবৃন্দ ও তৎকালীন ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল মান্নানকে অবরুদ্ধ করে জোরপূর্বক পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেয় এবং লুটেরা ও ডাকাত এস আলমের হাতে তুলে দেয়া হয়। দখলের পর থেকে শুরু হয় অবিরাম লুটপাট। এই লুটপাটের সহযোগী হয় এস আলমের অনুগত উচ্ছিষ্টভোগী দালাল পরিচালনা পর্ষদ ও তাদের সহযোগীরা।’

ঢাবির হলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ : বিতর্ক, প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ প্রভাব

ঘটনার সূত্রপাত ৯ আগস্ট রাত থেকে। এর আগে, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি আবাসিক হলের জন্য আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে। ঘোষণার পরপরই হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে কয়েকশ’ শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে বিক্ষোভে অংশ নেন।