লোড হচ্ছে...

২০০৪ সালের ২৫ অক্টোবর নয়া দিগন্তের প্রথম সংখ্যায় ব্যতিক্রমী আয়োজনের অংশ হিসেবে ‘বিদেশী সম্পাদকীয় থেকে’ বিভাগ যুক্ত করা হয়। বিভাগটিতে ‘গোয়েন্দা তথ্য কিভাবে বাঁকা করতে হয়’ শিরোনামে বিদেশী পত্রিকা ‘The New York Times’ থেকে একটি সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়। সম্পাদকীয়তে উঠে আসে– আমেরিকানদের ইরাক অভিযানে প্ররোচিত করতে বুশ প্রশাসন সিআইএ-র প্রকৃত তথ্যের বাইরে গিয়ে বানিয়ে অতিরঞ্জিত গোয়েন্দা রিপোর্ট তৈরি ও প্রচার করেছিল। লেভিনের রিপোর্ট অনুযায়ী, নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে চেনি ও রামসফেল্ডসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা জেনেশুনেই গোয়েন্দা তথ্যকে বিকৃত করেছিলেন।

সরকার ও বার কাউন্সিল যদি সত্যি আইন পেশায় প্রবেশের সুযোগ সীমিত করতে চায়, তাহলে তার আরো যুক্তিসঙ্গত পথ আছে। পরীক্ষার মান কঠোর করা যেতে পারে, যাতে কেবল নিষ্ঠাবান ও যথেষ্ট যোগ্য প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ পান। বিকল্প হিসেবে প্রতি বছর পেশায় প্রবেশের সুযোগের সংখ্যাও নির্দিষ্ট করে দেয়া যেতে পারে। যেমন, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত প্রথম এক হাজার প্রার্থীকে আইন পেশায় প্রবেশের অনুমতি দেয়া যেতে পারে। পদ্ধতি যা-ই হোক, আইন পেশায় প্রবেশের অধিকার নির্ধারণ করতে হবে শিক্ষাগত যোগ্যতা, আইনি জ্ঞান এবং পেশাগত পরীক্ষার কৃতিত্বের ভিত্তিতে। কারো বয়স বা জাতীয়তার মতো খামখেয়ালিপূর্ণ বিবেচনা এর নির্ধারক হতে পারে না। যোগ্যতার সাথে সম্পর্কহীন শর্ত আরোপ করে আইন পেশার মান উন্নত করা যায় না। যোগ্যতাকে পাশ কাটিয়ে আরোপিত বিধিনিষেধ পেশার মান বাড়ায় না; বরং উৎকর্ষতার পথ রুদ্ধ করে গড়পড়তা মানকে টিকিয়ে রাখে
২২ ঘণ্টা ১০ মিনিট আগে

চাঁদাবাজি দমন শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব নয়; এটি প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, রাজনৈতিক জবাবদিহি এবং অর্থনৈতিক সুশাসন প্রতিষ্ঠারও প্রশ্ন। ফুটপাথের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বড় ব্যবসায়ী, পরিবহনশ্রমিক থেকে পণ্য সরবরাহকারী, কেউই যদি অবৈধ অর্থ আদায়ের চাপ থেকে নিরাপদ না থাকেন, তাহলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বাভাবিক পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হবেই। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রকৃত সাফল্য তখনই আসবে, যখন শুধু অর্থ সংগ্রহকারীরা নয়, তাদের নেপথ্যের হোতা ও পৃষ্ঠপোষকরাও আইনের আওতায় আসবেন। অন্যথায় অভিযান চলবে, গ্রেফতার হবে; কিন্তু চাঁদাবাজির চক্র ভাঙবে না। সেই ব্যর্থতার মূল্য দিতে হবে পুরো সমাজকে
২২ ঘণ্টা ২৪ মিনিট আগে

শুরুটা হতে হবে শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে। জানতে হবে, কোথায় কাজ আটকে থাকে, কেন দুর্নীতির সুযোগ তৈরি হয়। পাসপোর্ট বা ভূমি অফিসে প্রতিটি সেবার নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দেয়া, কাজ আটকে গেলে ডিজিটাল রেকর্ড এবং মাসিক প্রকাশ্য মূল্যায়ন চালু করা যায়। ব্যবস্থা এমন হতে হবে, যেখানে উপরমহলের হস্তক্ষেপ ছাড়াই নিয়মমাফিক কাজ সম্পন্ন হবে। জাতির অগ্রগতি শুধু সম্পদে নয়, পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা ও প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতায়। বাংলাদেশের মানুষের মেধা ও পরিশ্রমের অভাব নেই। অভাব এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতির, যেখানে যোগ্যতা মূল্য পায় এবং প্রতিষ্ঠান ব্যক্তির ঊর্ধ্বে থাকে। আমরা ক্ষমতা নিয়ে যতটা ব্যস্ত থাকি, রাষ্ট্র কিভাবে চলবে, তা নিয়ে ততটা ভাবি না। অথচ কে দেশ চালাবেন, তা দিয়ে ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে না। হবে রাষ্ট্রব্যবস্থা আমরা কতটা বদলাতে পারলাম তা দিয়ে
২২ ঘণ্টা ৩১ মিনিট আগে

‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমছে’-এই কমতে থাকা নিঃসন্দেহে দেশ ও জাতির জন্য অশনি সঙ্কেত। কারণ, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সিস্টেম না থাকলে একটি দেশের সমাজ, অর্থনীতি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামগ্রিক বিকাশ মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত হবে। প্রাথমিক শিক্ষাই মানুষের আনুষ্ঠানিক শিক্ষার ভিত্তি তৈরি করে। সিস্টেমটি না থাকলে ব্যক্তিগত ও সামাজিক স্তরে যেসব দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হবে, তা হলো— ব্যাপক নিরক্ষরতা ও ভাষাগত দক্ষতার অভাব। মৌলিক গাণিতিক ও যৌক্তিক দক্ষতার অভাব। সামাজিকীকরণ ও নৈতিকতার অবক্ষয়। অর্থনৈতিক স্থবিরতা ও দারিদ্র্য বৃদ্ধি। প্রযুক্তিগত ও বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির সমাপ্তি। স্বাস্থ্য সচেতনতার অভাব ও গড় আয়ু হ্রাস। বৈষম্য ও সুযোগের অসমতা। সংক্ষেপে বলতে গেলে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিস্টেম না থাকলে একটি সভ্য ও প্রগতিশীল সমাজ গড়ে তোলা অসম্ভব এবং এর অভাবে মানবজাতি একটি অসভ্য, বিশৃঙ্খল ও অন্ধকার যুগের দিকে ধাবিত হবে।
২২ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট আগে

মানুষের মনস্তত্ত্ব অদ্ভুত। চোখের সামনে ঘটে যাওয়া ছোটখাটো অনিয়ম বা দুর্নীতিতে যতটা প্রতিক্রিয়া দেখায়, বিপুল অঙ্কের রাষ্ট্রীয় অর্থের লুটপাটে ঠিক ততটা নির্বিকার থাকে। এর কারণ...
১ দিন আগে

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমালোচনা করলে কেউ সাম্প্রদায়িক হয়ে যাবেন? তার সাহিত্য, রাজনৈতিক চিন্তা কিংবা সাংস্কৃতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললে তাকে রাষ্ট্রবিরোধী বলা হবে? রবীন্দ্রনাথ তো মানুষ,...
১ দিন আগে

মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ছিলেন আলেম ও সমাজসংস্কারক। তিনি উপমহাদেশের মহান বিপ্লবী, সাংবাদিকতার পথিকৃৎ, সম্পাদক, সাহিত্যিক, গবেষক, রাজনীতিবিদ ও দার্শনিক। ইসলামাবাদী মুসলমানদের মাঝে আত্মজাগরণের প্রেরণা ছড়িয়ে দেন।...
১ দিন আগে

(দ্বিতীয় পর্ব)ন্যায়পাল : বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে যে, ‘১. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠায় বিধান করিতে পারিবেন। ২. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোনো...
১ দিন আগে

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের সীমান্তে পার্বত্য উপত্যকা সাজেক। সাগরের পিঠ থেকে প্রায় এক হাজার ৮০০ ফুট উঁচুতে হওয়ায় একে বলা হয় মেঘের উপত্যকা। প্রকৃতি, পাহাড় মিলে...
১ দিন আগে

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অন্তত ৫৪টি অভিন্ন নদী বয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক নদী আইন অনুযায়ী, এসব নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা পাওয়ার অধিকার বাংলাদেশের থাকলেও, দিল্লি দীর্ঘদিন...
১ দিন আগে

রূপকথায় তেপান্তর এমন এক বিস্তীর্ণ প্রান্তর, যা পেরোতে হলে রাজপুত্রকে সাহস ও ভাগ্যের ওপর ভরসা করতে হতো। সেখানে পথ ছিল অনিশ্চিত, আর নিয়ম বলে কিছু ছিল না। আধুনিক রাষ্ট্রের একটি বড় অর্জন হলো সেই অনিশ্চয়তা কমিয়ে চলাচলকে নিয়মের অধীনে আনা। আমাদের মহাসড়ক সেই অবস্থান থেকে এখনো কিছুটা দূরে; যাত্রীকে এখানে ভাগ্যের ওপর অনেকটাই নির্ভর করতে হয়। অথচ ভাগ্য কোনো রাষ্ট্রীয় নীতি হতে পারে না। যে দিন রাষ্ট্র সড়কপথের যাত্রাকে ভাগ্যনির্ভরতা থেকে নিয়মনির্ভরতায় নিয়ে যেতে পারবে, সে দিন তেপান্তরের উপমা আবার গল্পের পাতাতেই ফিরে যাবে
২ দিন আগে

আক্রমণকারীকে জানতে হবে যে, সে যথেষ্ট ক্ষতি করেছে কি না। অন্য দিকে দুর্বল পক্ষের সবকিছু রক্ষা করার প্রয়োজনেই— শুধু এতটুকু সক্ষমতা টিকিয়ে রাখলেই চলে, যাতে প্রতিপক্ষেও লক্ষ্য অর্জন অসম্ভব হয়ে পড়ে। তাই SDS কয়েকটি ধারাবাহিক ধাপের ওপর নির্ভর করে যেমন— দ্রুত মোতায়েন, পাল্টা-নজরদারি, ছড়িয়ে থাকা অবস্থান এবং আক্রমণের আগে শনাক্তকরণ। এখানে আগে শনাক্ত হওয়াই ধ্বংসের সমান, চাই কী, ধ্বংস সাধনেরও অধিক।
২ দিন আগে

সাংস্কৃতিক ধারার বিকাশকে একটি বাগানের সাথে তুলনা করা যেতে পারে। যেখানে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের সমারোহ। ফুলপ্রেমীদের কাছে সব রকমের ফুল পছন্দনীয় হবে তা আশা করা যায় না। তার পছন্দ ও অপছন্দের ফুল নিয়েই বাগানের সার্বিক সৌন্দর্য্য। এটি অস্বীকার করলে সুস্থ সাংস্কৃতিক বিকাশকেই অস্বীকার করা হবে। সাম্প্রতিক রবীন্দ্রবিরোধী চেতনার বহিঃপ্রকাশকে বিবেচনা করতে হবে এই চিন্তার আলোকে।
২ দিন আগে

আইএমএফের বিকল্পকে ‘আইএমএফ বনাম বাংলাদেশ’ হিসেবে না দেখে অর্থায়ন-কৌশলকে বহুমুখী ও বাস্তবভিত্তিক করতে হবে। জরুরি বৈদেশিক মুদ্রার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, উন্নয়নের জন্য স্বচ্ছ ও উৎপাদনশীল প্রকল্প অর্থায়ন, রাজস্বের জন্য ন্যায্য করব্যবস্থা এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার জন্য রফতানি ও উৎপাদনশীলতাকে একই নীতিকাঠামোর অংশ করতে হবে। কোনো একটি উৎস একা আইএমএফের সব ভূমিকা পালন করতে পারবে না। তবে বিকল্পগুলো সমন্বিতভাবে ব্যবহার করলে বাংলাদেশের দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়বে, অপ্রয়োজনীয় ঋণের প্রয়োজন কমবে এবং উন্নয়নের অগ্রাধিকার নির্ধারণে জাতীয় স্বাধীনতা শক্তিশালী হবে
২ দিন আগে

উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের পর একজন এমফিল, পিএইচডি কিংবা প্রকৌশল ও চিকিৎসার মতো পেশাদার সনদধারী যখন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক পদে যোগ দেন, তখন তা শুধু তাদের স্বেচ্ছায় পেশা বেছে নেয়া নয়; বরং দেশের বেকারত্ব ও কর্মসংস্থান সঙ্কটের প্রতিচ্ছবি।
২ দিন আগে
