যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগের সম্ভাবনা, আরো সঙ্কটে কিয়ার স্টারমার

স্ট্রিটিংয়ের সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যেই তিনি পদ ছেড়ে নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সঙ্কট আরো গভীর হচ্ছে। এবার তাঁর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে খবর বেরিয়েছে। বলা হচ্ছে, পদত্যাগ করে তিনি প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে স্টারমারকে সরানোর প্রতিযোগিতায় নামতে পারেন। স্থানীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির পরাজয়ের পর স্টারমারের পদত্যাগের দাবিতে এরই মধ্যে আরো কয়েকজন মন্ত্রী ইস্তফা দিয়েছেন।

স্ট্রিটিংয়ের সম্ভাব্য পদত্যাগের খবর প্রকাশ করে সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যেই তিনি পদ ছেড়ে নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। এমনটি হলে আজ বুধবার যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে স্টারমার সরকারের যে পরিকল্পনা রাজা চার্লস তুলে ধরেছেন, তা হয়তো কখনোই আলোর মুখ দেখবে না। যদিও পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে মন্তব্য করেনি স্ট্রিটিংয়ের দপ্তর।

এর আগে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে গিয়ে স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন স্ট্রিটিং। তবে ওই বৈঠকের বিষয়ে কিছুই জানায়নি তাঁর দপ্তর। এখন পদত্যাগের পর লেবার পার্টির ৮১ জন এমপির সমর্থন পেলে তিনি নেতৃত্ব নির্বাচনের দাবি তুলতে পারবেন। এতে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীরাও প্রতিযোগিতায় নামতে উৎসাহ পেতে পারেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেনার।

আজ রাজা চার্লস সরকারের যে পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন, তার মাধ্যমে নিজের নেতৃত্বকে শক্তিশালী করতে চেয়েছিলেন স্টারমার। তবে এতে কমই নতুন কিছু আছে বলে মনে করছেন তাঁর দলের ৯০ জনের বেশি পার্লামেন্ট সদস্য। তাঁরাই স্টারমারের পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ওই পার্লামেন্ট সদস্যদের মতে, স্টারমার নেতৃত্বে থাকলে ২০২৯ সালের মধ্যে হওয়ার পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টি পরাজয় নিশ্চিত।

সূত্র : রয়টার্স

==============================

পদত্যাগের প্রস্তুতিতে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, চাপে কিয়ার স্টারমার

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের রাজনৈতিক সংকট আরো গভীর হচ্ছে। এবার তাঁর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে খবর প্রকাশ করেছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস। পদত্যাগ করে তিনি লেবার পার্টির নেতৃত্বে স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির ভরাডুবির পর থেকেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে দলে অসন্তোষ বাড়ছে। এরই মধ্যে কয়েকজন মন্ত্রী তাঁর পদত্যাগ দাবি করে ইস্তফা দিয়েছেন।

দ্য টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামীকাল বৃহস্পতিবারের মধ্যেই ওয়েস স্ট্রিটিং মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে পারেন। এমনটি হলে বুধবার পার্লামেন্টে রাজা চার্লস যে সরকারি কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন, তা বাস্তবায়ন অনিশ্চয়তার মুখে পড়তে পারে। তবে সম্ভাব্য পদত্যাগের বিষয়ে স্ট্রিটিংয়ের দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

এর আগে স্ট্রিটিং ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে সেই বৈঠক নিয়েও কোনো বিস্তারিত জানানো হয়নি।

পদত্যাগের পর লেবার পার্টির অন্তত ৮১ জন এমপির সমর্থন পেলে স্ট্রিটিং আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্ব নির্বাচনের দাবি তুলতে পারবেন। এতে দলের অন্য নেতারাও প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে উৎসাহিত হতে পারেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা রেনারের নামও আলোচনায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বুধবার রাজা চার্লসের ভাষণের মাধ্যমে নিজের নেতৃত্বকে আরো শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছিলেন কিয়ার স্টারমার। তবে লেবার পার্টির ৯০ জনের বেশি এমপি মনে করছেন, ঘোষিত পরিকল্পনায় নতুনত্বের অভাব রয়েছে। তারাই স্টারমারের পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়ে আসছেন।

ওই এমপিদের আশঙ্কা, স্টারমার নেতৃত্বে থাকলে ২০২৯ সালের পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির পরাজয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে পড়বে।

সূত্র: রয়টার্স