পাকিস্তান বিমান বাহিনী এখন আর কেবল আত্মরক্ষামূলক কোনো বাহিনী নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত সমীকরণে এক অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত হয়েছে। পেশাদারিত্ব আর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে পিএএফ এখন এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে যেখানে সংখ্যাতত্ত্বের চেয়ে যুদ্ধের গুণগত মানই মুখ্য। এই বদলে যাওয়ার গল্পের নাম ‘মারকা-এ-হক’, যা পাকিস্তানের আকাশসীমা রক্ষায় শাহীনদের শ্রেষ্ঠত্ব ও মানসিক পরিপক্কতার প্রমাণ দেয়।
সেই টানটান উত্তেজনার রাতে প্রতিপক্ষ যখন আকাশসীমায় দাপট দেখাতে চেয়েছিল, তখন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জহির আহমেদ বাবর সিধুর নেতৃত্বে পাকিস্তান অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও জোরাল জবাব দেয়।
পিএএফ এখন কেবল যুদ্ধবিমান কেনায় সীমাবদ্ধ নেই; তারা সাইবার, মহাকাশ এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের মতো আধুনিক সক্ষমতাকে এক সুতোয় গেঁথেছে। ফলে শত্রুর এস-৪০০ বা রাফালের মতো অস্ত্রগুলোও শাহীনদের কৌশলী ও নেটওয়ার্ক-নির্ভর আক্রমণের সামনে কার্যকর হতে পারেনি।
তবে এই শক্তির চেয়েও বড় ছিল পাকিস্তানের সংযম। শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের পরও তারা সঙ্ঘাত না বাড়িয়ে ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে। এয়ার চিফ মার্শাল সিধু বারবার স্পষ্ট করেছেন, পাকিস্তান সম্মানের সাথে শান্তি চায়, তবে সার্বভৌমত্বে আঘাত আসলে তা কঠোর হাতে দমন করা হবে। এই লড়াইয়ের প্রতিটি বীরত্বসূচক পদক কেবল পাইলটদের নয়, বরং পর্দার আড়ালে থাকা ইঞ্জিনিয়ার ও পরিকল্পনাকারীদের নিখুঁত প্রস্তুতিরও স্বীকৃতি।
সূত্র : দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন



