১২২ বছরের রেকর্ড ভেঙে দক্ষিণ কোরিয়ায় তীব্র দাবদাহ

কোরিয়া আবহাওয়া প্রশাসনের তথ্যানুসারে, রোববার দুপুরের পর রাজধানী সিউল থেকে প্রায় ৩১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ইয়াংসান শহরে এই ঐতিহাসিক তাপমাত্রা নথিভুক্ত করা হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে পানিতে ভিজজে দল বেঁধে
দাবদাহ থেকে রক্ষা পেতে পানিতে ভিজজে দল বেঁধে |সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ার আধুনিক ইতিহাসে রেকর্ড করা সবচেয়ে উত্তপ্ত দিন অতিক্রম করল দেশটির অধিবাসীরা। প্রচণ্ড গরমে পারদ চড়ে পৌঁছেছে ৪২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে (১০৮.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট)।

তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনদোলু , সিউলভিত্তিক বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপের খবরের বরাত দিয়ে উল্লখ করেছে, রোববার (২ আগস্ট) উল্লেখ করেছে ১৯০৪ সালে কোরীয় উপদ্বীপে আধুনিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ শুরু হওয়ার পর এটিই সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

কোরিয়া আবহাওয়া প্রশাসনের তথ্যানুসারে, রোববার দুপুরের পর রাজধানী সিউল থেকে প্রায় ৩১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত ইয়াংসান শহরে এই ঐতিহাসিক তাপমাত্রা নথিভুক্ত করা হয়। শহরটিতে টানা পাঁচ দিন ধরে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে রয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, পারদ আরো উঠে ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও সরকারি পদক্ষেপ

একইভাবে সিউল থেকে ২৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত গ্যাংজু শহরেও তাপমাত্রা পৌঁছায় ৪০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। চলতি বছরে এই প্রথম গ্যাংজু শহরে পারদ ৪০ ডিগ্রি ছাড়াল।

সরকারজুড়ে সমন্বিত তৎপরতা জোরদার করা তীব্র এই দাবদাহ মোকাবিলায় সে দেশের সরকার দুর্যোগ সাড়াদান সদরদপ্তরের ‘লেভেল ২’ জরুরি ব্যবস্থা চালু করেছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রধানমন্ত্রী হান সিওং-সুক সরকারি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রাদেশিক প্রশাসনকে জরুরি নির্দেশ দিয়েছেন। তীব্র গরমে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তদারকি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একই সাথে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ যেন কোনোভাবে বিঘ্নিত না হয়, তা নিশ্চিত করার তাগিদ দেয়া হয়েছে।