স্থানীয় নির্বাচনে ভরাডুবির পর মালদ্বীপের মন্ত্রিসভার বড় ধরনের রদবদল করেছেন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু। আগের ২০ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিয়ে ১৫ সদস্যে নামিয়ে আনা হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশটির সরকার এ তথ্য জানিয়েছে।
চারজন নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত করেছেন মুইজ্জু। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল্লাহ খলিলের স্থলে লন্ডনে মালদ্বীপের হাইকমিশনার ইরুতিশাম আদমকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন করেছেন। সদস্য সংখ্যা কমিয়ে ১৫ জন করা হয়েছে।’
এই রদবদলের পথ তৈরি করতে মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোহামেদ ঘাসান মাউমুনসহ আরো নয় মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। তবে মাউমুনের উত্তরসূরির নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি।
গণভোটের ১০ দিন পর এই রদবদল করা হলো। ওই ভোটে মালদ্বীপের জনগণ সরকারের একটি প্রস্তাব নাকচ করে দেন। প্রায় ৮০ লাখ ডলার সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রেসিডেন্ট ও সংসদ নির্বাচন একই দিনে আয়োজনের পরিকল্পনা করেছিল সরকার।
গণভোটের পাশাপাশি অনুষ্ঠিত স্থানীয় কাউন্সিল নির্বাচনেও মুইজ্জুর পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস লজ্জাজনক পরাজয়ের মুখে পড়ে। প্রধান বিরোধী দল মালদ্বীপিয়ান ডেমোক্র্যাটিক পার্টি রাজধানী মালে এবং দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম নির্বাচনী এলাকা আদ্দুর গুরুত্বপূর্ণ কাউন্সিলগুলো দখল করে নেয়।
নিরক্ষরেখা জুড়ে মোট এক হাজার ১৯২টি প্রবাল দ্বীপ নিয়ে ছোট্ট দেশ মালদ্বীপ গঠিত। এই দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান পূর্ব-পশ্চিম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথে হওয়ায় কৌশলগতভাবে দেশটির গুরুত্ব বেশি।
প্রায় তিন লাখ ৮২ হাজার মানুষের দেশটিতে প্রভাব বিস্তার নিয়ে আঞ্চলিক পরাশক্তি ভারত ও অর্থনৈতিক মহাশক্তি চীনের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে।
সূত্র: বাসস



