ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে ইরান সফরে যাবেন। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে বৈঠক করেছেন। রোববার (১৯ জুলাই) ইরাকের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
ওয়াশিংটন ও তেহরান ইরাকের প্রধান দুই মিত্র। তবে, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বিরোধের কারণে ইরাক এক ধরনের পরোক্ষ সংঘাতের মাঠে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা বেড়ে যাওয়ায় ইরাকের পরবর্তী সরকারগুলোকে এই দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির মধ্যে কঠিন ভারসাম্য বজায় রাখতে হয়েছে।
ইরাকের জাতীয় বার্তাসংস্থা আইএনএ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানিয়েছে, জাইদি চলতি সপ্তাহের শেষে তেহরান সফর করবেন। সফরে তিনি ‘দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে’ কয়েকটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
চলতি বছর ক্ষমতায় আসার পর এটি হবে জাইদির প্রথম ইরান সফর। যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে তিনি ক্ষমতায় আসেন, কারণ ট্রাম্প অন্য এক প্রার্থীকে ভেটো দিয়েছিলেন।
মার্কিন কোম্পানিগুলোর সাথে ৪৮টি চুক্তি ও অংশীদারিত্ব সম্পন্ন করে জাইদি এক সপ্তাহের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে রোববার ইরাকে ফিরেছেন।
একজন ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত জাইদি ইরাকের দুর্বল অর্থনীতি শক্তিশালী করার এবং মার্কিন স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো ইরানপন্থী গোষ্ঠীগুলোকে নিরস্ত্র করার অঙ্গীকার করেছেন।
এদিকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের ওপর দায় চাপানো হামলায় ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তান অঞ্চল অস্থির হয়ে উঠেছে। ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনা, বিদেশী তেল কোম্পানি এবং নির্বাসিত ইরানি কুর্দি বিদ্রোহীরা আশ্রয় নিয়েছেন।
সূত্র: বাসস



