কিউবার সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের পর দেশটির পাশে থাকার কথা জানিয়েছে চীন। একইসাথে কিউবার বিরুদ্ধে ‘নিষেধাজ্ঞা ও বিচারিক অস্ত্র’ ব্যবহার বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বেইজিং।
৯৪ বছর বয়সী সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে বুধবার (২০ মে) যুক্তরাষ্ট্র যে অভিযোগ ঘোষণা করেছে, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার কমিউনিস্ট সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা করতে পারেন।
বৃহস্পতিবার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের উচিত কিউবার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ও বিচারিক অস্ত্র ব্যবহার বন্ধ করা এবং সবসময় শক্তি প্রয়োগের হুমকি দেয়া থেকে বিরত থাকা।’
তিনি আরো বলেন, ‘চীন কিউবার জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষার প্রচেষ্টাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে। পাশাপাশি বাইরের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে।’
রাউল কাস্ত্রো হলেন প্রয়াত ফিদেল কাস্ত্রোর ছোট ভাই। ফিদেল কাস্ত্রো ১৯৫৯ সালের কমিউনিস্ট বিপ্লবের মাধ্যমে কিউবায় ক্ষমতায় আসেন এবং দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
১৯৯৬ সালে কাস্ত্রো-বিরোধী পাইলটদের চালিত দু’টি বেসামরিক বিমান ভূপাতিত করার ঘটনা থেকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো আসে। ওই ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছিল।
রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে আমেরিকান নাগরিকদের হত্যার ষড়যন্ত্র ও বিমান ধ্বংসের অভিযোগও আনা হয়েছে।
বুধবার ট্রাম্প কিউবার সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রে দায়ের করা মামলাকে ‘অত্যন্ত বড় মুহূর্ত’ বলে অভিহিত করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের তেল অবরোধের কারণে কয়েক মাস ধরে কিউবার অর্থনীতি গভীর সঙ্কটে রয়েছে।
সূত্র: বাসস



