জনপ্রিয়তায় ধসে ট্রাম্প

যে সব অঙ্গরাজ্যে বড় জয় পেয়েছিলো সেখানেও পিছিয়ে

নিবন্ধিত ভোটারদের নিয়ে সিভিকস-এর অনলাইন জরিপ মতে, ৩০ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের কাজের সমর্থনের হার ছিল ৩৬ শতাংশ এবং অসন্তুষ্টির হার ৫৯ শতাংশ। ফলে তার নিট জনপ্রিয়তার হার দাঁড়িয়েছে মাইনাস ২৪-এ।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ডোনাল্ড ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প |সংগৃহীত

বিগত ২০২৪ সালের নির্বাচনে যে ১১টি অঙ্গরাজ্যে ডাবল ডিজিটের বা বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সেসব স্থানেও তার জনপ্রিয়তা এখন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে নিজ রাজনৈতিক দুর্গেও ট্রাম্পকে নিয়ে তৈরি হওয়া এই তীব্র অসন্তোষ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

সাপ্তাহিক নিউজউইক রোববার (২ আগস্ট) উল্লেখ করেছে, নিবন্ধিত ভোটারদের নিয়ে সিভিকস-এর অনলাইন জরিপ মতে, ৩০ জুলাই পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের কাজের সমর্থনের হার ছিল ৩৬ শতাংশ এবং অসন্তুষ্টির হার ৫৯ শতাংশ। ফলে তার নিট জনপ্রিয়তার হার দাঁড়িয়েছে মাইনাস ২৪-এ।

যেসব অঙ্গরাজ্যে জয়ের ব্যবধান অন্তত ১০ শতাংশ ছিল, সেখানে গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এপ্রিলে ট্রাম্প বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর শুল্ক আরোপ করার পর থেকেই অনেক স্থানে তার সমর্থনের পারদ নামতে শুরু করে। আবার কেনটাকি ও মিসৌরি রাজ্যে গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের সাথে যুদ্ধ ঘোষণার পর তার সমর্থন আরও কমে যায়।

বর্তমানে এই ১১টি অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্পের সমর্থনের হিসাব তুলে ধরা হলো: আলাস্কায় -১৪ (অনুকূলে ৪০, প্রতিকূলে ৫৪), ফ্লোরিডায় -১২ (অনুকূলে ৪২, প্রতিকূলে ৫৪), আইওয়ায় -১৪ (অনুকূলে ৪৪, প্রতিকূলে ৪৯), কেনটকিতে -৩ (অনুকূলে ৩৯, প্রতিকূলে ৫৩), লুইজিয়ানায় -৪ (অনুকূলে ৪৫, প্রতিকূলে ৪৯), মিসৌরিতে -৭ (অনুকূলে ৪৪, প্রতিকূলে ৫১), মিসিসিপিতে -১ (অনুকূলে ৪৭, প্রতিকূলে ৪৮), নেব্রাস্কায় -৩ (অনুকূলে ৪৫, প্রতিকূলে ৪৮), ওহিওতে -১৩ (অনুকূলে ৪০, প্রতিকূলে ৫৩), সাউথ ক্যারোলাইনায় -৯ (অনুকূলে ৪২, প্রতিকূলে ৫১) এবং টেক্সাসে -১৩ (অনুকূলে ৪০, প্রতিকূলে ৫৪)।

এমনকি যেসব জায়গায় ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি ছিল, সেখানেও তা আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর সময় ওয়াইওমিংয়ে তার নিট জনপ্রিয়তা ছিল প্লাস ৪৫ এবং নর্থ ডাকোটায় প্লাস ৩১, যা কমে এখন উভয় রাজ্যেই প্লাস ১৯-এ নেমে এসেছে।

নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস) ও সেনেটে নিজেদের সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে থাকা রিপাবলিকানদের জন্য ভোটারদের এই অসন্তোষ বড় ধাক্কা হতে পারে।