মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার (১ মে) কিউবার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছেন। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় দেশটির সাথে লেনদেনকারী বিদেশী ব্যাংকগুলো হুমকির মুখে পড়বে।
ট্রাম্পের এই নিষেধাজ্ঞা কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের সাথে সংশ্লিষ্ট বিস্তৃত পরিসরের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপরও প্রযোজ্য হবে।
এই পদক্ষেপ ট্রাম্প প্রশাসনের কিউবার ওপর চাপ বাড়ানোর ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। ভেনিজুয়েলা থেকে তেলের সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় ইতোমধ্যেই দেশটি গভীর অর্থনৈতিক সঙ্কটে রয়েছে।
নির্বাহী এক আদেশে ট্রাম্প জানান, কিউবার অর্থনীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। এরমধ্যে রয়েছে- জ্বালানি, প্রতিরক্ষা ও সংশ্লিষ্ট সামগ্রী, ধাতু ও খনন, আর্থিক সেবা ও নিরাপত্তা খাত।
এতে আরো বলা হয়, যেসব কিউবান কর্মকর্তা ‘গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন’ বা দুর্নীতির সাথে জড়িত বলে বিবেচিত হবেন, তাদের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।
নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। পাশাপাশি, এসব ব্যক্তির সাথে লেনদেনকারী যেকোনো বিদেশী আর্থিক প্রতিষ্ঠানও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়বে।
পদক্ষেপটি এমন সময়ে এসেছে, যখন দুই দেশের মধ্যে সংলাপের কিছু প্রচেষ্টা দেখা যাচ্ছিল এবং এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা আলোচনার জন্য কিউবা সফর করেছিলেন।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দীর্ঘদিন ধরেই কিউবায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে আসছেন।
সূত্র: বাসস



