ইবোলার প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় টিকা ও চিকিৎসা পর্যালোচনায় ডব্লিউএইচও

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ইবোলা সংক্রমণ ঠেকাতে সম্ভাব্য কোনো টিকা বা চিকিৎসা ব্যবহার করা যায় কি-না, তা খতিয়ে দেখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ইবোলা সংক্রমণ ঠেকাতে সম্ভাব্য কোনো টিকা বা চিকিৎসা ব্যবহার করা যায় কি-না, তা খতিয়ে দেখছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

মঙ্গলবার (১৯ মে) ডব্লিউএইচও’র ডিআর কঙ্গো প্রতিনিধি অ্যান আনসিয়া জেনেভায় সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি দেশটির ইতুরি অঞ্চলের বুনিয়া শহর থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমরা দেখছি, কোনো সম্ভাব্য টিকা বা চিকিৎসা বর্তমানে রয়েছে কি-না এবং সেগুলোর কোনটি এই প্রাদুর্ভাবে কাজে লাগতে পারে কি-না।’

ডব্লিউএইচও ইতোমধ্যে অত্যন্ত সংক্রামক এই রক্তক্ষরণজনিত জ্বরের প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক জরুরি স্বাস্থ্য অবস্থা ঘোষণা করেছে।

সংস্থাটি জানায়, এ পর্যন্ত সন্দেহজনকভাবে ১৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫০০ জনের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।

সঙ্কট মোকাবেলায় মঙ্গলবার জরুরি বৈঠকও ডেকেছে ডব্লিউএইচও।

সর্বশেষ প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী ইবোলার বান্ডিবুগিও ধরনটির বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো টিকা বা কার্যকর চিকিৎসা নেই। গত অর্ধশতকে আফ্রিকায় ইবোলায় ১৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

বর্তমানে যে টিকাগুলো রয়েছে, সেগুলো শুধু ১৯৭৬ সালে শনাক্ত হওয়া জায়ার ধরনের ইবোলার বিরুদ্ধে কার্যকর।

আনসিয়া বলেন, আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে জায়ার ধরনের জন্য অনুমোদিত টিকাগুলো ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা যাবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘অবশ্যই এ বিষয়ে আরো অনেক গবেষণা প্রয়োজন।’

তিনি জানান, কোন সম্ভাব্য টিকাকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে, সে বিষয়ে সুপারিশ দিতে মঙ্গলবার ডব্লিউএইচও’র কারিগরি উপদেষ্টা দল বৈঠকে বসবে।

সূত্র: বাসস