ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো ও উগান্ডায় সন্দেহভাজন ইবোলা রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০০ জনে এবং ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এ তথ্য জানিয়েছে।
বুধবার (২০ মে) জেনেভায় ডব্লিউএইচও-এর জরুরি কমিটির বৈঠকে মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়াসুস সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন যে, ভাইরাসটি আন্তর্জাতিক উদ্বেগের একটি জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবেই রয়েছে, তবে এটি মহামারী নয়।
টেড্রোস বলেন, ‘ডব্লিউএইচও জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে এই মহামারীর ঝুঁকিকে উচ্চ এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে নিম্ন হিসেবে মূল্যায়ন করছে।’
সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও-এর জরুরি বিভাগের প্রধান চিকওয়ে ইহেকওয়াজু বলেন, সংস্থাটির ‘এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো সংক্রমণের সব বিদ্যমান উৎস শনাক্ত করা’।
তিনি আরো বলেন, ‘এর মাধ্যমেই আমরা প্রাদুর্ভাবের প্রকৃত মাত্রা নির্ধারণ করতে পারব এবং চিকিৎসা প্রদান করতে সক্ষম হব।’
এর আগে, রোববার টেড্রোস প্রথম জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতির জরুরি অবস্থার কারণে তিনি অন্য বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ না করেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, এই প্রাদুর্ভাব বুন্ডিবুগিও স্ট্রেইনের কারণে ছড়াচ্ছে, যা এক ধরনের ইবোলা ভাইরাস। এর কোনো টিকা বা চিকিৎসা নেই।
সূত্র: আল জাজিরা



