জলবায়ু বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ পাচ্ছে সাড়ে ১২ লাখ ইউরো

চুক্তি অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় সাড়ে ১২ লাখ ইউরো)। প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হবে।

বিশেষ সংবাদদাতা
নয়া দিগন্ত

দক্ষিণ এশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা জোরদারে বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে তিন বছর মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়নে বাংলাদেশ পাবে ১ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ইউরো।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) বাংলাদেশ সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মধ্যে এ দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো: শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং আইওএমের পক্ষে বাংলাদেশ মিশনের প্রধান ড. লরা টম বনডে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ দশমিক ২৫ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় সাড়ে ১২ লাখ ইউরো)।

প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাস্তুচ্যুতি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গবেষণালব্ধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হবে।

এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশীদের জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্ত করা, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল, যুগ্ম সচিব ড. কাজী শাহজাহান, সিনিয়র সহকারী সচিব ড. রাজিবুল আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফাহমিদা হক খান, আইওএমের ন্যাশনাল প্রোগ্রাম অফিসার আশফাকুর রহমান খান এবং ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট ড. এস এম মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।