চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর আমন্ত্রণে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে বেইজিংয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠনের পর এটিই তার প্রথম চীন সফর। সফরে তার সাথে থাকছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
বাংলাদেশ ও চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং কৌশলগত যোগাযোগ আরো শক্তিশালী করাই এই সফরের মূল লক্ষ্য। গত এপ্রিলের শুরুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারত সফর করেছিলেন। এক মাসের ব্যবধানে বেইজিং সফরকে কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
আগামীকাল বুধবার তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সাথে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসবেন। বৈঠকে জ্বালানি সঙ্কট, ব্যবসা-বাণিজ্য, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, চীনে কাঁঠাল রফতানি, সরাসরি ফ্লাইট চালু, চীনা শিল্প স্থানান্তর, রোহিঙ্গা সঙ্কট এবং চাইনিজ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হবে।
এছাড়া জাতিসঙ্ঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থিতার পক্ষে চীনের সমর্থন চাওয়া হবে।
চীন তাদের বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ সহযোগিতা এবং গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীর করার উদ্যোগ নিতে পারে।
সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য চীন সফর নিয়েও আলোচনা হবে। আশা করা হচ্ছে, জুনের মাঝামাঝি থেকে জুলাইয়ের প্রথমার্ধে তিনি বেইজিং সফর করবেন। এছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যু, মিয়ানমার পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সঙ্কট নিয়েও দুই দেশ আলোচনা করতে পারে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরে বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতাদের সাথেও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।



