ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৭ ও ১১ জেলায় আরো ২২ জনের মৃত্যুতে ছাত্রশিবিরের গভীর শোক ও উদ্বেগ

তারা নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন, শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। সেই সাথে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতুর পূর্ব পাড়ে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে ১৭ জন নিহত ও অন্তত ১০ জন আহত এবং গতকাল রোববার দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আরো ২১ জনসহ দুই দিনে মোট ৩৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

সোমবার এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই শোক জানান।

বিবৃতিতে তারা বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের মহাসড়কগুলো আবারো একেকটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনের কার্যকর নজরদারির অভাব এবং ফিটনেসবিহীন ও অননুমোদিত যানবাহনের অবাধ চলাচলের কারণে প্রতি বছরই মানুষের ঘরে ফেরার আনন্দ বিষাদে পরিণত হচ্ছে। সড়ক দুর্ঘটনার এই ধারাবাহিকতা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

নেতৃদ্বয় বিগত দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান তুলে ধরে আরো বলেন, ‘বিগত ঈদুল ফিতরের সময়ও সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে বেসরকারি হিসাব অনুযায়ী মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে দেশের সড়কগুলোতে ৩৫১ জন মানুষ নিহত হন এবং ১,০৪৬ জনেরও বেশি আহত হন। সেই ভয়াবহ পরিসংখ্যান থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেনি। জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হলেও সর্বক্ষেত্রে এই দায়িত্ব পালনে প্রশাসনের চরম অবহেলা প্রকাশ পাচ্ছে।

তারা নিহতদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন, শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। সেই সাথে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।