বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, দেশ যে দিকে যাচ্ছে সন্দেহ অবিশ্বাস বাড়ছে।
আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের উদ্যোগে ‘প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতন্ত্র সুশাসন প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
দুদু বলেন, আওয়ামী লীগের মতো এখনো প্রতিহিংসার রাজনীতি চলছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরেও মেয়র হতে দেয়া হয়নি ইশরাককে। কোর্ট তাকে রায় দেয়ার পরেও তাকে শপথ করানো হচ্ছে না। এখন সম্পূর্ণ প্রতিহিংসা মূলক কাজ করছে সরকার। লুটপাটের চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে ইঞ্জিনিয়ার ইশরাককে মেয়র পদে বসতে দিচ্ছে না। কোর্টের আইন যদি কেউ না মানে, তাকে বন্য বা ফ্যাসিস্ট বলা। সরকার কি সেই লাইনে যাচ্ছে কি না চিন্তার বিষয়।
ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, দেশ যে দিকে যাচ্ছে সন্দেহ-অবিশ্বাস বাড়ছে। এ সরকারের প্রতি জনগণের সমর্থন, আশা ও বিশ্বাস ছিল, সেই সমর্থন আশা ও বিশ্বাস আস্তে আস্তে টুটে যাচ্ছে। সরকারকে এই জিনিসটা বুঝতে হবে। আমরা ড. ইউনূসের মধ্য দিয়ে একটা ভালো নির্বাচনের প্রত্যাশা করি। যদি ড. ইউনূস ফেল করে তাহলে সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ করব, এদেশে গণতন্ত্রের বিধি ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা। সুপ্রিম কোর্টের ও দায়িত্ব আছে দেশ ও জনগণের রক্ষা করা।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্দেশে সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, অতি সতর্কতার সাথে পরিস্থিতি অনুধাবন করে দ্রুত একটি ভালো জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিকে তিনি যাবেন এ প্রত্যাশা করি।
ভারতের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভারত সভ্য দেশ হলে আরেকটি সভ্য দেশের ভিসা বন্ধ করত না, বাংলাদেশের ট্রানজিট বন্ধ করতো না। সীমান্তে নির্বিচারে বাংলাদেশীদের হত্যা করত না। তিস্তা নদীর পানি বন্ধ করত না।



