কলমিলতা মার্কেটে আগুনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জামায়াত সামর্থ্য অনুযায়ী সম্ভব সবকিছু করবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন।
আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর আয়োজিত রাজধানীর বিজয় সরণির কলমিতলা মার্কেটে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের মাঝে নগদ অর্থ ও ব্যাংক চেক বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাইফুল আলম খান মিলন বলেছেন, রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশে অগ্নিদুর্ঘটনার প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েই চলেছে। ফলে প্রতিবছর ব্যাপকভাবে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। সে ধারাবাহিকতায় কলমিলতা মার্কেটে ভয়াবহ আগুনে ব্যবসায়ীরা একেবারে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন। এর পুরোপুরি ক্ষতিপূরণ করা কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সহানুভূতি দেখানোর জন্য আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী সামান্য হাদিয়া নিয়ে হাজির হয়েছি। এতে কেউ নূন্যতম উপকৃত হলে আমাদের প্রচেষ্টা সফল হয়েছে বলে মনে করব।
তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের সবরের পরমর্শ দিয়ে বলেন, বিপদে ধৈর্যধারণ ও আল্লাহর ওপর ভরসা রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
ব্যবসায়ীরা অতিদ্রুত তাদের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও নির্মাণের ক্ষেত্রে ইমারত বিধি অনুসরণ না করার কারণেই প্রতিনিয়তই অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটছে। তাই আগামী দিনে এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে ঢাকা সিটিকে মানবিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের ধৈর্যধারণের পরামর্শ দিয়ে বলেন, বিপদ-আপদ আল্লাহর পক্ষ থেকে পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় সকলকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
তিনি ক্ষতিগ্রস্তদেরদের সহায়তায় এগিয়ে আসতে সমাজের সক্ষম ব্যক্তিদের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে কলমিতলা মার্কেটের আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০ জন ব্যবসায়ীর মাঝে নগদ অর্থ ও ব্যাংক চেকের মাধ্যমে ১৫ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা তুলে দেয়া হয়।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং মহানগরীর প্রচার-মিডিয়া সেক্রেটারি আতাউর রহমান সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তেজগাঁও দক্ষিণ থানা আমির ইঞ্জিনিয়ার নো’মান আহমেদি, সেক্রেটারি ফরিদ আহমেদ রুবেল ও মার্কেট ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি মানিক মিয়া প্রমুখ।



