বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া লাইফ সাপোর্টে

রফিকুল ইসলাম মিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফরিদ হোসেনের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন আছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক
রফিকুল ইসলাম মিয়া
রফিকুল ইসলাম মিয়া |ফাইল ছবি

অবস্থার অবণতি হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়াকে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ৭টা ২০ মিনিটে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার একান্ত রাজনৈতিক সচিব মোকসেদুর রহমান আবীর।

তিনি বলেন, ‘স্যারের (রফিকুল ইসলাম মিয়া) অবস্থার অবনতি হওয়ায় উনাকে লাইভ সাপোর্টে নেয়া হয়েছে। বিকেলে সিদ্ধান্ত হলেও স্যারের বড় ছেলের (ড. মাসরুর রফিক মিয়া) অপেক্ষায় ছিলাম আমরা। লন্ডন থেকে বিমানযোগে ঢাকায় পৌঁছে উনি সরাসরি হাসপাতালে আসার পর নিজের বাবার সান্নিধ্যে দাঁড়ালেন। এরপরই স্যারকে ডাক্তাররা লাইফ সাপোর্ট প্রদানের কাজ শুরু করলেন। স্যারের কিডনি কাজ করছে না, রক্তে ইনফেকশন ধরা পড়েছে। নিউরো সমস্যায় ভুগছেন দীর্ঘদিন। নানা জটিলতায় উনি আক্রান্ত।’

গত ২১ জুলাই রফিকুল ইসলাম মিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাকে আইসিইউ সুবিধা সম্বলিত কেবিনে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। কিন্তু দুপুর থেকে তার অবস্থা অবনতি হতে শুরু করে বলে জানান তার একান্ত সচিব।

রফিকুল ইসলাম মিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফরিদ হোসেনের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসাধীন আছেন।

৮৫ বছর বয়সী রফিকুল ইসলাম মিয়া ১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার সরকারের গৃহায়ন মন্ত্রী ছিলেন। তিনি রাজনীতিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটিরও সদস্য দীর্ঘদিন ধরে।

১৯৯১ সালে পঞ্চম জাতীয় সংসদে এবং ১৯৯৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

১/১১’র তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করলে তার আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া।

মুকসেদুর রহমান আবীর বলেন, ‘উনার দুই ছেলে ড. মাসরুর রফিক মিয়া ও শাহাপুর রফিক মিয়া। দুইজন বিদেশে থাকেন। বাবার খবর শুনে তারা দেশের পথে আছেন।’

রফিকুল ইসলাম মিয়ার সহধর্মিণী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শাহিদা রফিক গত বছরের ২ মার্চ মারা যান। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

রফিকুল ইসলাম মিয়ার আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে তার পরিবার দোয়া চেয়েছেন বলে জানান আবীর।