সরকারের প্রথম ১০০ দিন জাতির সামনে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা

‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তার সরকারের ১০০ দিনের কার্যক্রম, সিদ্ধান্ত এবং তার বাস্তবায়ন সব কিছুই এই ই-বুকে বিশদভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এটি সরকারের ১০০ দিনের কর্মকাণ্ডের দলিল।’

নয়া দিগন্ত অনলাইন
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় |সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সরকারের প্রথম ১০০ দিন জাতির সামনে আশাবাদ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এসেছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের দুই শতাধিক উদ্যোগ ও প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এগুলোর বাস্তবায়ন জনজীবন ও সমাজে দৃশ্যমান প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।

বুধবার (২৭ মে) সকালে বিএনপি সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং প্রকাশ করেছে ই-বুক। ৩১ পৃষ্টার এই ই-বুকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও তার বাস্তবায়নের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।

সরকারের কর্মকান্ডের অগ্রযাত্রার ধারাবাহিক চিত্র তুলে ধরতে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এই ডায়েরি প্রকাশ করেছে, যা সময়ের সাথে নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে তার সরকারের ১০০ দিনের কার্যক্রম, সিদ্ধান্ত এবং তার বাস্তবায়ন সব কিছুই এই ই-বুকে বিশদভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এটি সরকারের ১০০ দিনের কর্মকাণ্ডের দলিল।’

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারের ১০০দিন জাতির সামনে আশাবাদ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এনেছে। সরকারের নেয়া বিভিন্ন কর্মসূচি ও উদ্যোগ ইতোমধ্যে জনজীবন ও সমাজে দৃশ্যমান প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির এয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
https://heyzine.com/flip-book/d53270df69.htm ... এই লিংক ব্যবহার করে ই-বুকটি পড়া ও ডাউনলোড করা যাবে এবং ই-বুক সস্পর্কে যেকোনো মতামত, পরামর্শ এবং গঠনমূলক মন্তব্য সাদরে গ্রহণ করা যাবে এবং ই-বুকটি সময়ের সাথে সাথে নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।

বইটির সূচনাতে গত ২৯ জানুয়ারি তারেক রহমানের একটি বক্তব্য যুক্ত করা হয়েছে। সেটা হচ্ছে  ’১২ তারিখ ধানের শীষের বিজয়ী হলে ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখ থেকে শুরু হবে জনগণের দিন।’

গ্রন্থের ভূমিকাতে বলা হয়েছে যে, নির্বাচনী মঞ্চে দেয়া প্রতিশ্রুতি সাধারণত রাজনৈতিক ভাষণের অংশ হয়ে থাকে, কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর সেই প্রতিশ্রুতিকে বাস্তব কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেয়ার মাধ্যমেই নেতৃত্বের মূল্যায়ন হয়। বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রাধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার এবং দ্রুত বাস্তবায়নে তার প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক নির্দেশনা ও পদক্ষেপ এখন জাতীয় আলোচনার বিষয়।

১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্বগ্রহণের পর থেকে তার সরকার বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট, বিনিয়োগের স্থবিরতা, কর্মসংস্থানের ঘাটতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার মতো একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।

প্রথম ১০০ দিনে নীতিনির্ধারণে দ্রুততা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত, প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধারের ইতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সাথে সাথেই সারাদেশে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। কারণ এ সরকার বিশ্বাস করে দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করাই নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রধান দায়িত্ব।

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার দিন থেকেই তারেক রহমানের সরকার জনগণের সেবায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। সরকারের এই কার্যক্রমের সাফল্য ও তার প্রভাব গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে প্রথম ১০০ দিনের কর্মযাত্রার অগ্রগতি ও দিকনির্দেশনার একটি সুস্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়।

‘যেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের মানুষের উপকার হবে, আমরা সেসব পরিকল্পনাই গ্রহণ করব’-  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই বক্তব্য তুলে ধরে যেসব কাজ শুরু করা হয়েছে তার একটি পরিসংখ্যান ই-বুকে দেয়া হয়।

এই বইটিতে বাংলাদেশের সমকালীন রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে নেতৃত্বের আচরণ, ব্যক্তিগত জীবনধারা ও জনসম্পৃক্ততা ক্রমেই জনআলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আচরণকে পর্যবেক্ষকরা একটি ভিন্নধারার নেতৃত্বচর্চা হিসেবে বিবেচনা করছেন, যেখানে ভদ্রতা, সংযম, সৌজন্য, পারিবারিক মূল্যবোধ এবং অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জীবনযাপন ও জনপরিসরে আচরণকে অনেকে সরল জীবনধারা এবং পারিবারিক মূল্যবোধের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন হিসেবে ব্যাখ্যা করেন। এসব দৃষ্টান্ত তার রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিরই অংশ, যা প্রচলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতির তুলনায় একটি ভিন্নধারার নেতৃত্বের ইঙ্গিত বহন করে।

বইটিতে বলা হয়েছে, সরকারি বাসভবনের পরিবর্তে ব্যক্তিগত বাসভবন ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং এটিকে অনেকে সরল ও সংযত প্রশাসনিক সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

তার ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার এবং নিজ খরচে জ্বালানি ব্যয়ের উদ্যোগ একটি ব্যতিক্রমী প্রশাসনিক অনুশীলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা দায়িত্বশীলতা ও ব্যক্তিগত সংযমের বার্তা বহন করছে বলে অনেকে মনে করছেন।

ভিভিআইপি প্রটোকল সীমিত করার পদক্ষেপকে অনেকে ক্ষমতার সরলীকরণ, জবাবদিহি এবং জনগণের আরো কাছাকাছি থাকার প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চল সফরকালে তাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও আগ্রহ বিশেষভাবে লক্ষণীয় হয়ে উঠেছে। রাস্তার দুইপাশে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে, এমনকি বাড়ির উঠানেও মানুষ তাকে একনজর দেখার জন্য অপেক্ষা করছে। শিশু-কিশোর, তরুণ-প্রবীণ, মা-বোনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের এই অংশগ্রহণকে অনেকে জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করছেন।

কিছুদিন আগে নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফরকালে শিক্ষার্থীদের সাথে অনুষ্ঠিত উন্মুক্ত প্রশ্নোত্তর পর্ব জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে। সেখানে শিক্ষার্থীরা আগামীর বাংলাদেশ, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি ও রাষ্ট্র পরিচালনা নিয়ে নিজেদের ভাবনা ও প্রত্যাশা সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ পান। নেতৃত্ব ও তরুণ সমাজের মধ্যে এমন অংশগ্রহণমূলক যোগাযোগকে ইতিবাচক গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তিনি বিভিন্ন সময়ে প্রচলিত প্রটোকলের গণ্ডিভেঙে শিশুদের সাথে কথা বলেছেন, তাদের আবদার পূরণ করেছেন এবং তাদের কাছ থেকে ভালোবাসার উপহার গ্রহণ করেছেন। এসব ঘটনাকে অনেকে মানবিক নেতৃত্বের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।

কৃষক, শ্রমিক ও মজুরদের সাথে একজন সাধারণ মানুষের মতো মিশে যাওয়ার ঘটনাগুলোও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও জনপরিসরে আলোচিত হয়েছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব আচরণ তাকে একটি জনমুখী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করছে।

সিগন্যালে অপেক্ষা করা, হেঁটে অফিসে যাওয়া কিংবা অফিস শেষে সাধারণ মানুষের মাঝে গিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার ঘটনাগুলোকে অনেকে অংশগ্রহণ ভিত্তিক ও জনসম্পৃক্ত নেতৃত্বের উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করছেন।

সাপ্তাহিক কার্যদিবসের অংশ হিসেবে শনিবার অফিস কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা, কর্মগতিশীলতা এবং সেবার গতি বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তরুণ উদ্ভাবকদের উৎসাহিত করতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার ও চালনার মাধ্যমে তিনি স্থানীয় উদ্ভাবনী সক্ষমতার প্রতি সমর্থনের বার্তা দিয়েছেন। উদ্ভাবনী উদ্যোগে তরুণদের সম্পৃক্ত করার বিষয়টিকে অনেকে ভবিষ্যৎমুখী নেতৃত্বের অংশ হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন।

সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির সামগ্রিক প্রচেষ্টাকে প্রশাসনিক যোগাযোগ ও জনআস্থা আরো শক্তিশালী করার একটি উদ্যোগ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব উদ্যোগ শুধু ব্যক্তিগত আচরণ বা প্রতীকী পদক্ষেপ নয়; বরং রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সরলতা, মানবিকতা, জবাবদিহি, জনসম্পৃক্ততা এবং অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্বের একটি নতুন ধারা প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে।

গ্রন্থের একেবারে শেষে সারসংক্ষেপ বলা হয়েছে, নির্বাচনের পর তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ১০০ দিন ছিল মূলত দিকনির্ধারণ, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং জনআস্থা পুনর্গঠনের সময়। অর্থনৈতিক চাপ, বৈশ্বিক অস্থিরতা, জ্বালানি সঙ্কট, কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার মধ্যেও সরকার দ্রুত কিছু নীতিগত ও জনমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এই সময়ে সরকারের কার্যক্রমে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা, প্রশাসনিক ও বিচারব্যবস্থায় ডিজিটাল ও কাঠামোগত সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত পরিকল্পনা। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, স্পোর্টস কার্ড, ই-হেলথ কার্ড, ডিজিটাল ভূমিসেবা, ই-বেইলবন্ড, খাল পুনঃখনন, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের আর্থিক সম্মানি প্রদান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং শিক্ষা ও তরুণদের জন্য নতুন কর্মসূচিগুলো ছিল সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম।

একইসাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কিছু ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত, যেমন রাষ্ট্রীয় প্রটোকল সীমিত রাখা, সরকারি ব্যয়ে সংযম, মাঠপর্যায়ের সমস্যা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ এবং সাধারণ মানুষের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ততা সরকারের রাজনৈতিক বার্তাকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি নিরাপত্তা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের বাস্তবায়ন এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। তবুও প্রথম ১০০ দিনে সরকার একটি সক্রিয়, দ্রুত সিদ্ধান্তগ্রহণকারী এবং জনমুখী প্রশাসনের ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করেছে। অনেক কর্মসূচি এখনো প্রাথমিক বাস্তবায়ন পর্যায়ে থাকলেও সরকার রাষ্ট্রকে আরো প্রযুক্তিনির্ভর, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী করার অঙ্গীকার সামনে এনেছে।

‘জনগণের সেবা নিশ্চিত করাই এ সরকারের পবিত্র দায়িত্ব’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই বক্তব্য সন্নিবেশিত করে গ্রন্থের উপসংহার টানা হয়।

ই-বুকে মন্ত্রণালয় ভিত্তিক কার্যক্রম ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন তুলে ধরা হয়েছে। একইসাথে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের বিভিন্ন আলোকচিত্রও ব্যবহার করা হয়েছে।

সূত্র : বাসস