প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করলে ধীরে ধীরে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে ‘মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ’ আয়োজিত এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এদিন প্রধানমন্ত্রী সেনানিবাসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক। পরে দুপুরে তিনি ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার, জেসিও এবং সাধারণ জওয়ানদের সাথে প্রীতিভোজে অংশ নেন।
প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশকে একটা সুন্দর জায়গায় দেখতে চাই। আমরা চেষ্টা করছি, পর্যায়ক্রমে সবার জন্য দেশ গড়তে। যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে আমরা কাঙ্ক্ষিত দেশ গড়তে পারব। আমরা যাতে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে পারি, সেটিই চাওয়া।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নত পেশাদার মান, দায়িত্ববোধ এবং দুর্যোগ মোকাবেলাসহ দেশের যেকোনো প্রয়োজনে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য আমাকে গর্বিত করে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় রাষ্ট্রের আস্থার প্রতীক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুর্যোগ মোকাবেলা থেকে শুরু করে জাতীয় যেকোনো প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর অবদান দেশের মানুষের কাছে গভীরভাবে মূল্যায়িত। আশা করি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতিটি সদস্য ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা, পেশাদারত্ব ও দেশপ্রেম নিয়ে জাতির সেবায় নিয়োজিত থাকবেন।’
প্রীতিভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সেনাসদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে সেনা মেসে অবস্থানরত সৈনিকদের জীবনযাপনের খোঁজখবর নেন প্রধানমন্ত্রী।
এরপর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনা মেস চত্বরে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
এছাড়া সেনা মেসের মসজিদে জোহরের নামাজ আদায়ের পর উপস্থিত সেনা কর্মকর্তা ও সেনা সদস্যদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সূত্র : ইউএনবি



