বাংলাদেশ থেকে ১৮২টি হজ ফ্লাইটে ৭০ হাজার ৭৫৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক মো: লোকমান হোসেন জানান, আজ সকাল ১০টা পর্যন্ত ১৮২টি ফ্লাইট বাংলাদেশ থেকে জেদ্দায় অবতরণ করেছে।
হজ বুলেটিনের হিসাব অনুযায়ী, সৌদি আরবে ১৮ জন বাংলাদেশী হজযাত্রীর স্বাভাবিক কারণে মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং পাঁচজন নারী। মক্কায় ১৩ জন এবং মদিনায় পাঁচজন মারা গেছেন।
এতে আরো বলা হয়, সৌদি মেডিক্যাল টিম মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসা দিয়েছে এবং আইটি হেল্পডেস্ক ১৮ হাজার ৮৯৪ জন হজযাত্রীকে চিকিৎসা প্রদান করেছে।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জনকে হজ পালনের অনুমতি দেয়া হয়েছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৬০টি অ্যাজেন্সি এবার হজ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অ্যাজেন্সিগুলোর মধ্যে ৩০টি লিড অ্যাজেন্সি ও বাকিগুলো সমন্বয়কারী অ্যাজেন্সি।
এয়ারলাইনসভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৯৩টি ফ্লাইটে ৩৬ হাজার ৮৩৫ জন, সৌদি এয়ারলাইনস ট্রান্সপোর্টের ৬৬টি ফ্লাইটে ২৫ হাজার ৪৫ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনসের ২৩টি ফ্লাইটে আট হাজার ৮৭৬ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পৌঁছেছেন।
বাংলাদেশ হজ অফিসের পরিচালক জানান, অবশিষ্ট আরো সাত হাজার ৬৩৪ জন হজযাত্রী পর্যায়ক্রমে তাদের নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে যাত্রা করবেন।
গত ১৭ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৭ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জেদ্দার কিং আবদুল আজিজ ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের উদ্দেশে ছেড়ে যায় প্রথম হজ ফ্লাইট (বিজি৩০০১)। প্রথম ফ্লাইটে হজযাত্রী ছিলেন ৪১৮ জন। ফ্লাইটটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
হজ অফিসের তথ্য অনুযায়ী, মোট হজযাত্রীর মধ্যে চার হাজার ৫৬৫ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করবেন।
ঢাকায় সৌদি দূতাবাস এ পর্যন্ত মোট ৭৮ হাজার ৩৯০টি ভিসা ইস্যু করেছে, যার মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় চার হাজার ৪৬৫টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৫৫টি।
সৌদি আরবে আগামী ২৭ মে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন হবে। ঈদের আগের দিন ২৬ মে পবিত্র হজ পালন করবেন হজযাত্রীরা।
আগামীকাল ২১ মে হজ পালনের উদ্দেশে সর্বশেষ ফ্লাইট পরিচালিত হবে। আগামী ৩০ মে জেদ্দা থেকে ফিরতি ফ্লাইটে আসা শুরু করবেন হাজিরা। আগামী ৩০ জুন শেষ হবে হাজীদের ফিরতি ফ্লাইটের যাত্রা। বাসস



