জবি শিক্ষকের ওপর হামলা : আসামি মাহিম কারাগারে

আজ শুক্রবার তাকে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। এদিন ঢাকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত |সংগৃহীত

ঢাকার কেরাণীগঞ্জে মাদকসেবনে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: রাইসুল ইসলাম ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত আসামি এহসানুর হক মাহিমকে (২২) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ শুক্রবার তাকে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। এদিন ঢাকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একইসাথে রিমান্ড শুনানির জন্য রোববার (১২ এপ্রিল) দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: রাইসুল ইসলামের কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন কালিন্দী ইউনিয়নের মাদারীপুর সড়ক-২ এলাকার বাড়ির সামনে দীর্ঘদিন ধরে আড্ডাবাজি ও মাদক সেবন করে আসছিল অভিযুক্ত মাহিম। বিষয়টি নিয়ে নিষেধ করলে তিনি বিভিন্ন সময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেন। বৃহস্পতিবার শিক্ষক রাইসুল ইসলামের বাবা নজরুল ইসলাম (৬৭) অভিযুক্তকে আড্ডা দিতে নিষেধ করলে মাহিম ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং একপর্যায়ে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন। পরে লোহার রড দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করলে তা চোখের নিচে লেগে তিনি রক্তাক্ত জখম হন। এ সময় তাক চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।

এ ঘটনায় আজ শুক্রবার শিক্ষক রাইসুল ইসলাম কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা করেন। বাসস