কারিগরি শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির তথ্য এন্ট্রির নির্দেশিকা প্রকাশ

বিজ্ঞপ্তিতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা শিক্ষাক্রমের দ্বিতীয়, তৃতীয়, পঞ্চম ও সপ্তম পর্বের শিক্ষার্থীদের নতুন তথ্য এন্ট্রি এবং বিদ্যমান শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদ করতে বলা হয়েছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর
কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর |সংগৃহীত

উপবৃত্তি কার্যক্রমের জন্য ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বরাদ্দের আওতায় কারিগরির নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য এন্ট্রি এবং বিদ্যমান শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদের নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর।

সোমবার (৪ মে) অধিদফতরের উপবৃত্তি সেলের প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা শিক্ষাক্রমের দ্বিতীয়, তৃতীয়, পঞ্চম ও সপ্তম পর্বের শিক্ষার্থীদের নতুন তথ্য এন্ট্রি এবং বিদ্যমান শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদ করতে বলা হয়েছে।

অধিদফতরের নির্দেশনা অনুযায়ী, উপবৃত্তি প্রদানযোগ্য শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রস্তুত ও রেজুলেশন আঞ্চলিক অফিসে প্রেরণের সময়সীমা ৫ থেকে ১২ মে পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। আর নতুন শিক্ষার্থীদের ডাটা এন্ট্রি এবং পুরাতন শিক্ষার্থীদের তথ্য হালনাগাদ করে আঞ্চলিক কার্যালয়ে পাঠানোর কাজ ১৩ মে থেকে শুরু হয়ে ২৫ মে পর্যন্ত চলবে।

পরবর্তী সময়ে ১ জুন থেকে ৪ জুনের মধ্যে আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে চূড়ান্ত তথ্য অধিদফতরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়নরত থাকার পাশাপাশি কয়েকটি শর্ত পূরণ করার কথা বলা হয়েছে নির্দেশিকায়। এতে বলা হয়, ১. গড়ে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ নম্বর পেয়ে পূর্ববর্তী সকল বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। ২. ক্লাসে উপস্থিতির হার ন্যূনতম ৭০ শতাংশ থাকতে হবে। ৩. অভিভাবকের মাসিক আয় অনধিক ৩০ হাজার টাকা হতে হবে।

প্রতারণা রোধে অধিদফতর থেকে বিশেষভাবে সতর্ক করে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কিছু প্রতারক চক্র নিজেদের অধিদফতরের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে পিন, ওটিপি বা পাসওয়ার্ড সংগ্রহের চেষ্টা করছে। অধিদফতর কোনো মাধ্যমেই এমন তথ্য সংগ্রহ করে না। প্রতিষ্ঠানের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ডের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ধরনের কোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় জিডি করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের ব্যাংক বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট অবশ্যই শিক্ষার্থীর জন্ম নিবন্ধন বা অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে মিল রেখে এবং কেওয়াইসি ভেরিফাইড হতে হবে। একই অ্যাকাউন্ট নম্বর একাধিক ব্যক্তি ব্যবহার করতে পারবেন না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, উপবৃত্তি সংক্রান্ত ডাটা এন্ট্রির ক্ষেত্রে কোনো কর্মচারীকে দায়িত্ব দেয়া যাবে না, প্রতিষ্ঠান প্রধানকে অবশ্যই যোগ্য শিক্ষক দ্বারা এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে। তথ্য এন্ট্রিতে কোনো ভুলভ্রান্তি হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে। বাসস