চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট ২৬ হাজার ৮৬৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে এদিন ১৯ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির পাঠানো দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষাসংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিতি : তথ্য অনুযায়ী, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে আজ বাংলা (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষায় মোট ১১ লাখ ১৮ হাজার ৭৬৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ১১ লাখ ৬ হাজার ৪৪৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ৩১৬ জন। সাধারণ বোর্ডে অনুপস্থিতির গড় হার এক দশমিক ১০ শতাংশ। নয় বোর্ডে মোট ছয়জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।
বোর্ড প্রতি তথ্যানুযায়ী, ঢাকা বোর্ডে দুই হাজার ৯৩৬ জন, রাজশাহীতে এক হাজার ৭৩৬, কুমিল্লায় এক হাজার ৩৬৫, যশোরে এক হাজার ৪৮২, চট্টগ্রামে এক হাজার ২২, সিলেটে ৭০৬, বরিশালে ৯৮০, দিনাজপুরে এক হাজার ৩০১ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৭৮৮ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, সাধারণ বোর্ডগুলোর মধ্যে বরিশাল বোর্ডে অনুপস্থিতির হার সর্বোচ্চ এক দশমিক ৫০ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন দিনাজপুর বোর্ডে শূন্য দশমিক ৯২ শতাংশ।
অন্যদিকে, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আরবি প্রথম পত্রের পরীক্ষায় দুই লাখ ৫৩ হাজার ৮৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৩২ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১৫০ জন পরীক্ষার্থী। অনুপস্থিতির হার চার দশমিক ৭৯ শতাংশ। এ বোর্ডে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে তিনজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।
আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ইংরেজি-২ পরীক্ষায় এক লাখ ২০ হাজার ১৬০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নিয়েছেন ১১ লাখ ছয় হাজার ৪৪৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন দুই হাজার ৩৯৯ জন পরীক্ষার্থী। অনুপস্থিতির হার দুই শতাংশ। কারিগরি বোর্ডে আজ ১০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. খন্দোকার এহসানুল কবির জানান, বিদেশের নয়টি কেন্দ্র বাদে দেশের মোট তিন হাজার ৮৭৫টি কেন্দ্রে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
চেয়ারম্যান জানান, দ্বিতীয় দিনের সার্বিক পরিস্থিতি সন্তোষজনক ছিল। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে বোর্ডের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। বাসস



