ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের সিট সংকট নিরসন এবং সিট বণ্টন নীতিমালা দ্রুত প্রণয়নের জন্য শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে বেশ কিছুদিন যাবৎ আন্দোলন করে যাচ্ছে ডাকসু ও হল সংসদের নেতারা। তার পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার (২১) ডাকসু প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সেখানে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য মো: মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ, বিজয় একাত্তর হল সংসদের জিএস আশিক বিল্লাহ, এজিএস ইমরান হোসাইন, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আসিফ ইমাম, এজিএস ফুজায়েল আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য সাদিক মুনেম, শেখ মুজিবুর রহমান হল সংসদের ভিপি মুসলিমুর রহমান, জসীম উদ্দীন হল সংসদের এজিএস হিজবুল্লাহ আল হিজুল, সার্জেন্ট জহুরুল হক হল সংসদের ভিপি আহসান হাবিব ইমরোজ, ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ হল সংসদের ভিপি তারেকুল ইসলাম, ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের ভিপি খন্দকার মোহাম্মদ আবু নাঈম, জিএস ইমামুল হাসান, অমর একুশে হল সংসদের জিএস মো: রবিউল ইসলাম ও এজিএস উবায়দুর রহমান হাসিব।
সংবাদ সম্মেলনে বিজয় একাত্তর হল সংসদের জিএস আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘এখন হলগুলোতে ২০১৯-২০ থেকে ২০২৫-২৬ পর্যন্ত সাতটি ব্যাচ অবস্থান করছে। পুনরায় ভর্তি নেয়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে শৈথিল্য প্রদর্শন করা হলে একত্রে ১০/১১টি ব্যাচ হলে থাকার সুযোগ তৈরি হবে। যার ফলে সিট সংকট আরো মারাত্মক আকার ধারণ করবে ও গণরুম কালচার অনিবার্য হয়ে পড়বে। তাই সিট বণ্টন নীতিমালায় পুনঃভর্তি ও অভর্তি নিয়ে কোনো শৈথিল্য মানা হবে না।’
মুক্তিযুদ্ধা জিয়াউর রহমান হল সংসদের জিএস আসিফ ইমাম বলেন, ‘আমাদের বোনেরা ছেলেদের থেকে বেশি চান্স পাওয়া সত্ত্বেও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় আবাসিক সুবিধা থেকে বেশি বঞ্চিত হচ্ছে। যে নীতিমালা প্রণীত হতে যাচ্ছে, সেখানে যদি শিক্ষার্থীদের মৌলিক স্বার্থের প্রতিফলন না হয় তাহলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে শক্ত আন্দোলন গড়ে তুলব।’
ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য মো: মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে না পারায় বর্তমান প্রশাসন ও প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সুস্পষ্ট গাফিলতি লক্ষণীয়। প্রশাসনের কার্যক্রমে মনে হচ্ছে তারা ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের হাতে হলের নিয়ন্ত্রণ তুলে দেয়ার নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে। তারা যে চক্রান্ত করছে শিক্ষার্থীদের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে তা প্রতিহত করবে।’



