পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্দোলন তৃতীয় দিনের মতো অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে কর্মবিরতি পালন করেন আন্দোলনকারীরা। এসময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং ভিসির অপসারণ, বহিরাগতদের হামলার বিচার ও ক্যাম্পাসে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক অস্থিরতা, অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার ঘটনা ঘটছে। এসব অভিযোগের প্রতিবাদে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছেন।
মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ বি এম সাইফুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর বহিরাগতদের হামলার ঘটনায় তারা ক্ষুব্ধ। হামলার বিচার এবং ভিসির অপসারণের দাবিতে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
আন্দোলনকারীরা জানান, আন্দোলনের প্রথম দিনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে বহিরাগতরা হামলা চালায়। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকসহ অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।
ওই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে। হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন কমিউনিটি হেলথ অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের প্রভাষক ডা. মো. মহিবুল্লাহ, ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. রাহাত মাহমুদ, ডেপুটি রেজিস্ট্রারআবু বকর সিদ্দিক এবং পবিপ্রবি ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা জনি প্রমুখ।



