শহীদ পরিবারের অনুরোধে ৭২ ঘণ্টা পর শিক্ষার্থীদের অনশন ভঙ্গ

শনিবার (১০ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে শহীদ ফারহান ফাইয়াজ, শহীদ সাইদুল ইসলাম, শহীদ জাবের ও শহীদ সৈকতের পরিবারের সদস্যরা অনশনরত শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। পরে তাদের ডাবের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙানো হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে শিক্ষার্থীদের অনশন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে শিক্ষার্থীদের অনশন |সংগৃহীত

জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশগুলো সংসদে বিল আকারে উত্থাপনের দাবিতে আমরণ অনশনে বসা শিক্ষার্থীরা ৭২ ঘণ্টা পর তাদের কর্মসূচি স্থগিত করেছেন। জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে তারা অনশন ভাঙেন।

শনিবার (১০ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে শহীদ ফারহান ফাইয়াজ, শহীদ সাইদুল ইসলাম, শহীদ জাবের ও শহীদ সৈকতের পরিবারের সদস্যরা অনশনরত শিক্ষার্থীদের কাছে গিয়ে কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানান। পরে তাদের ডাবের পানি পান করিয়ে অনশন ভাঙানো হয়। এ সময় শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকে গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার আশ্বাস দেয়া হয়।

অনশন ভাঙার পর অসুস্থ শিক্ষার্থীদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে প্রথমে একজন শিক্ষার্থী অনশন শুরু করেন। একই দিন সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরো একজন শিক্ষার্থী এতে যোগ দেন। পরদিন বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক শিক্ষার্থীও অনশনে অংশ নেন।

অনশনে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা হলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাদিক মুনওয়ার মুনেম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাকিবুর রহমান এবং নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষার্থী শেখ মোস্তাফিজ।