পুঠিয়া (রাজশাহী) সংবাদদাতা
রাজশাহীর পুঠিয়ায় সাধু ফকিরের আস্তানায় স্বামীর সহযোগিতায় এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৮ মে) রাতে পুঠিয়ার বেলপুকুর থানায় ভুক্তভোগী নারী মামলা করেন। মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বেলপুকুর থানার ওসি ফারুক হোসেন।
মামলার আসামিরা হলেন পুঠিয়ার চক ধাঁদাস গ্রামের বাসিন্দা হামিদ ফকির (৬৭) এবং ভুক্তভোগী নারীর স্বামী আমির হোসেন (৪৫)।
অভিযুক্ত হামিদ ফকিরের বাড়ির পাশেই রয়েছে সাধুসেবার আস্তানা। সেখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভক্তরা যাতায়াত করেন। ভুক্তভোগী নারীর স্বামীও তার অনুসারী। প্রায় ছয় মাস আগে ওই নারীর সাথে তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। গত ১৫ মে বাজারে যাওয়ার কথা বলে ওই নারীকে তার স্বামী হামিদ ফকিরের আস্তানায় নিয়ে যান। সেখানে স্বামীর সহযোগিতায় হাত-পা বেঁধে হামিদ ফকির তাকে ধর্ষণ করেন।
মামলা সূত্রে প্রকাশ, ঘটনার পর বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করেন ধর্ষিতার স্বামী আমির হোসেন। পরে তিনি সুযোগ বুঝে স্বামীর বাড়ি থেকে পালিয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে গিয়ে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসা শেষে সোমবার বেলপুকুর থানায় গিয়ে স্বামী ও হামিদ ফকিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।
এ বিষয়ে পুঠিয়া উপজেলার বেলপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক হোসেন বলেন, ‘ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।’



