ফেনীতে আয়োজিত নাগরিক বৈঠকে বক্তারা বলেছেন, শান্তি-সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক নেতাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। পাশাপাশি ভাষাগত শিষ্টাচার বজায় রেখে আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা জরুরি। তবে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, এজন্য প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা। সচেতনতা থাকলে সমাজে বিশৃঙ্খলা ও হানাহানি রোধ করা সম্ভব হবে।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে শহরের ট্রাংক রোডের রেডিক্স হোটেলের কনফারেন্স কক্ষে পিস ফ্যাসিলিটেটর গ্রুপ (পিএফজি) আয়োজিত ‘শান্তি-সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় দায়িত্বশীল রাজনীতি ও ভাষাগত শিষ্টাচার নিশ্চিতকরণে’ নাগরিক বৈঠকে এ মতামত ব্যক্ত করা হয়।
পিএফজি এম্বাসেডর নেটওয়ার্ক ফেনী-কুমিল্লা অঞ্চলের কো-অর্ডিনেটর ও দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সভাপতিত্বে বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল।
সদর উপজেলা কো-অর্ডিনেটর মোর্শেদ হোসেনের পরিচালনায় আলোচনায় অংশ নেন জেলা বিএনপি যুগ্ম-আহবায়ক গাজী হাবিব উল্যাহ মানিক, জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আ.ন.ম আবদুর রহীম, ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক সামচ্ছুদ্দিন মজুমদার সাচ্চু, এনসিপির সদস্য সচিব শাহওয়ালী উল্যাহ মানিক, অতিরিক্ত জিপি মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী মোর্শেদ, ডেইলি স্টার প্রতিনিধি আবু তাহের, অবজারভার প্রতিনিধি মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঞা, প্রাইভেট হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি হারুন-অর-রশিদ, সময় টিভির সিনিয়র রিপোর্টার আতিয়ার হাওলাদার সজল, যমুনা টিভির স্টাফ রিপোর্টার আরিফুর রহমান, মহিলা দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌস মিতা, এবি পার্টির নারী বিষয়ক সম্পাদিকা জাহানারা আক্তার মনি, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এসএম কায়সার এলিন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম মিলন, ছাত্রশিবিরের শহর সভাপতি মাজহারুল ইসলাম, ছাত্রদলের জেলা যুগ্ম-সম্পাদক রশিদ আহমেদ মজুমদার, ফেনী রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটির কার্যনির্বাহী সদস্য ওসমান গণি রাসেল, শিক্ষক ও সংগঠক সৈয়দ আশ্রাফুল হক আরমান, সংগঠক সৈয়দ রইসুল ইসলাম লিমন প্রমুখ।
এ সময় পিএফজি এরিয়া কো-অর্ডিনেটর রাসেল আহমেদ ও ফিল্ড কো-অর্ডিনেটর খোদেজা আক্তার এই আয়োজনের সমন্বয় করেন।
বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, ‘সম্প্রতি মাষ্টারপাড়ার একটি দৃশ্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা পারিবারিকভাবে, সামাজিকভাবে বসবাস করি। এগুলো বলার ভাষা নাই। আমরা সভা-সেমিনারে যেভাবে কথা বলি, বক্তৃতার মঞ্চে সেই ভাষায় কথা বলি না। বর্তমান সময়ে প্রত্যেক স্তরে অশ্লীল ভাষার প্রয়োগ বেশি হচ্ছে। নৈতিকতার শেষ লেভেলে আমরা পৌঁছে গেছি। এই পরিস্থিতি আমাদের উত্তরণ করতে হবে। নতুবা ভয়ঙ্কর পরিণতি হবে।’ তিনি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।



