অনলাইন হয়রানি প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বক্তারা। তারা বলেন, অভিভাবকদের সন্তানদের অনলাইন কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারে উৎসাহিত করতে হবে।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে কুমিল্লা আইডিয়াল কলেজ অডিটোরিয়ামে “অনলাইন সেফটি অ্যান্ড সাইবার হ্যারাসমেন্ট প্রিভেনশন” শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনলাইন নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সামাজিক সংগঠন অ্যালায়েন্স ফর কেয়ার অ্যান্ড ইকুইটি (এইস) এ সেমিনারের আয়োজন করে।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আদর্শ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমাতুজ জোহরা বলেন, “বর্তমান বিশ্বে তথ্যই সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। প্রযুক্তির কল্যাণে আমরা ভৌগোলিক সীমারেখা অতিক্রম করতে পারলেও তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে এখনো পর্যাপ্ত সচেতন নই।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন লিটন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এইস-এর নির্বাহী প্রধান অ্যাডভোকেট সুমাইয়া বিনতে হোসাইনী। তিনি অনলাইনে নারীদের হয়রানি, সাইবার বুলিং, ফেইক আইডির অপব্যবহার, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সচেতনতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
এসময় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইয়াসমিন রিমা, এখন টিভির কুমিল্লা ব্যুরো প্রধান খালেদ সাইফুল্লাহ, প্রথম আলোর কুমিল্লা প্রতিনিধি আব্দুর রহমান এবং এইস-এর রিসার্চ কোঅর্ডিনেটর হাসান মাহমুদ তারেক।
বক্তারা বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এই সময়ে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এর অপব্যবহারের কারণে বিশেষ করে নারী ও কিশোর-কিশোরীরা সাইবার হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জরুরি।



