ভোলায় বাড়ছে ইলিশের সরবরাহ, স্থানীয় বাজারে দাম আকাশ ছোঁয়া

টানা দুই মাস পর ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ ধরা শুরু পর স্বস্তি ফিরেছে জেলেদের। তাদের জালে ধরা পড়ছে রূপালি ইলিশ। তবে তা তুলনামূলক কম। জেলেদের আহরিত ইলিশ স্থানীয় বাজারে সরবরাহ হলেও দাম আকাশ ছোঁয়া।

শাহাদাত হোসেন শাহীন, ভোলা

Location :

Bhola
ভোলায় বাড়ছে ইলিশের সরবরাহ, স্থানীয় বাজারে দাম আকাশ ছোঁয়া
ভোলায় বাড়ছে ইলিশের সরবরাহ, স্থানীয় বাজারে দাম আকাশ ছোঁয়া |নয়া দিগন্ত

টানা দুই মাস পর ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশ ধরা শুরু পর স্বস্তি ফিরেছে জেলেদের। তাদের জালে ধরা পড়ছে রূপালি ইলিশ। তবে তা তুলনামূলক কম। জেলেদের আহরিত ইলিশ স্থানীয় বাজারে সরবরাহ হলেও দাম আকাশ ছোঁয়া। ক্রেতাদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও মাছের এমন দাম নিয়ে ক্ষুদ্ধ ভোক্তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘ বিরতির পর ইলিশ আহরণে নদীতে নেমেছেন ভোলার জেলেরা। জেলেদের আহরণকৃত মাছ ঘাটে বিক্রি হচ্ছে। পাইকার, আড়ৎদার আর জেলেদের হাকডাকে মুখরিত মৎস্যঘাট। দুমাস পর জাল বেয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন তাদের।

জেলে মনির, সাজাহান ও লোকমান বলেন, নিষেধাজ্ঞার পর নদীতে প্রতিদিন জাল ফেলে যে মাঠ পাওয়া যাচ্ছে তা কিছুটা কম। তারপরেও মোটামুটি ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।

এদিকে জেলেদের আহরণকৃত মাছ স্থানীয় বাজারে কেনাবেচা হচ্ছে। পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম কমেনি। চড়া মূল্যে কিনতে হয় ভোক্তাদের। মাছ বাজারের সিন্ডেকেট ভাঙার দাবি তাদের।

ক্রেতা আব্বাস উদ্দিন, নাছির উদ্দিন ও সাফিজল বলেন, ‘বাজারে প্রচুর ইলিশ আছে কিন্তু দাম চড়া।’

ক্রেতাদের অভিযোগ, ইলিশের রাজ্য ভোলা হলেই ভোলার মানুষ ইলিশ কিনে করতে পারছে না চড়া দামের কারণে।

তবে দাম নিয়ে ভিন্ন অভিমত বিক্রেতাদের। তারা বলছেন, ঘাট থেকে ইলিশ চলে যায় ঢাকা ও বরিশালের মোকামে। তাই বেশি দামে কিনে আনায় চড়াও মূল্যে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিকে বাজারে মাছের দাম নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযান জরুরি বলে মনে করছে কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ক্যাবের কর্মকর্তারা।

সংগঠনের সভাপতি মো: সুলাইমান বলেন, ‘সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে, এ সিন্ডকেট ভাঙতে পারলেই দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

তিনি বলেন, ‘ভোলার মাছ ঢাকায় কম দামে বিক্রি হয়, একই মাছ স্থানীয় বাজারে চড়া মূল্য।’

এদিকে অতিদ্রুতই বাজারে মাছের দাম নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে এমনটাই প্রত্যাশা ভোক্তাদের।