ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে প্রাণহানির ঘটনা প্রতিবছরই ঘটে। তাই এবার প্রাণহানি এড়াতে আগেভাগেই রেলওয়ের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে মাইকিং। রেলওয়ের মালিকানাধীন পাহাড়গুলোতে অবৈধভাবে ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়।
রোববার (৩ মে) সারাদিন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রকৌশল বিভাগ অবৈধ বসবাসকারীদের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করে।
প্রতিবছর বর্ষা শুরুর আগে রেলওয়ে ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে সরিয়ে দেয়া হয়। তারপরও তারা আবার এই অবৈধ স্থাপনায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসের জন্য চলে আসে।
জানা গেছে, চট্টগ্রামে রেলওয়ের মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ে পাঁচ হাজার ৩৩২টি অবৈধ স্থাপনা হয়েছে। এসব অবৈধ স্থাপনায় ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে প্রায় অর্ধলাখ মানুষ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে এসব পাহাড়ে বসবাস করে আসছেন তারা। দিন দিন এই অবৈধ বসতির সংখ্যা বাড়ছে।
রেলওয়ের মালিকানাধীন সাতটি পাহাড়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অবৈধ পরিবারের বসবাস নগরীর ফয়’স লেক এলাকার ১, ২ ও ৩ নম্বর ঝিল পাহাড়ে। এখানে চার হাজার ৪৭৬টি পরিবার বসবাস করে।
এদিকে ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে চট্টগ্রামে ভূমিধসের সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদফতর।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে চট্টগ্রামে ভয়াবহ পাহাড়ধসের ঘটনায় ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এর ১০ বছর পর ২০১৭ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে পাহাড়ধসে ১৬৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল।



