ডিমলা (নীলফামারী) সংবাদদাতা
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদ দ্রুত কার্যকর করার দাবিতে নীলফামারীর ডিমলায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্যজোট।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মভিত্তিক দলের নেতারা অংশ নেন।
শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে উপজেলা জামায়াত অফিসের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিজয় চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশ সঞ্চালনা করেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি কাজী রুকনুজ্জামান বকুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মুজিবুর রহমান বলেন, ‘জুলাইয়ের সনদ নিয়ে যে গণরায় হয়েছে, তাকে অবাঞ্ছিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই গণরায় অস্বীকার করা মানে জনগণের রায় অস্বীকার করা। এটি সরকারের অত্যন্ত দুঃখজনক ও জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থী আচরণ।’
তিনি আরো বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে জনগণ এ অবস্থানে পৌঁছেছে। গোটা দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ভোট দিয়ে (অথবা: মত দিয়ে/ভোট দিয়ে) সরকারকে ম্যান্ডেট দিয়েছেন। অথচ মাত্র ৪৪ শতাংশ ভোট পেয়ে ক্ষমতায় আসা সরকার জনগণের এই গণরায় উপেক্ষা করছে।’
এই নেতা বলেন, সরকার যদি জনগণের স্পষ্ট রায়কে অস্বীকার করে, তাহলে ভবিষ্যতে ক্ষমতায় থাকার নৈতিক ও রাজনৈতিক বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে। তাই এখনও সময় আছে সরকার যেন গণরায়কে সম্মান জানিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেয় এবং শহীদদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা দেয়। অন্যথায় আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ডিমলা উপজেলা সদস্য সচিব মো: রাশেদ ইসলাম রাশেদ, খেলাফত মজলিসের নীলফামারী জেলা সভাপতি মাওলানা সাদ্দাম হোসেন জিহাদী, ডিমলা উপজেলা শিবিরের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা হাবিবুর রহমানসহ ১১ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
এ কর্মসূচির মাধ্যমে ১১ দলীয় ঐক্যজোট সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।



