কক্সবাজারের চকরিয়া সুন্দরবন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী চিংড়ি ঘেরের বৈধ মালিকদের কাছে জোরপূর্বক চাঁদা আদায়সহ দখল বাণিজ্য চালিয়ে আসছিল। এতে এলাকার বৈধ চিংড়ি চাষীরা অসহায় হয়ে পড়েন।
এবার এসব অবৈধ দখলবাজ, চাঁদাবাজ ও অপরাধী ধরতে অভিযানে নেমেছে পুলিশ। গত ২৪ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে পুলিশ ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে। শুক্রবার (২২ মে) ভোরবেলা পর্যন্ত এ অভিযান চলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া থানা পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে ঘের এলাকার সন্ত্রাসী, অবৈধভাবে মাছের ঘের দখলকারী ও অপরাধ কার্যক্রম পরিচালনাকারী ব্যক্তিদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় পরিকল্পিত ও সমন্বিত অভিযানে ওইসব সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও ঘের দখলকারীদের গ্রেফতার করে পুলিশ।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রফতানিমুখী সম্পদ হচ্ছে চিংড়ি, যা হোয়াইট গোল্ড বা সাদা সোনা নামে পরিচিত। সেই সাদা সোনা উৎপাদনে বৈধ চাষীদের সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও অবৈধভাবে মাছের ঘের দখলকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরো জানান, গ্রেফতার আসামি ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে সঙ্ঘবদ্ধভাবে চিংড়ি ঘের ও মাছের প্রজেক্টকেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল।
স্থানীয়দের দাবি, সরকার পরিবর্তনের পর থেকে চকরিয়া চিংড়ি ঘের ও মৎস্য প্রজেক্ট এলাকায় রাজনৈতিক দলের নাম ভাঙিয়ে দখল বাণিজ্য ও চাঁদাবাজদের তৎপরতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।



