সাভারে সড়ক থেকে তুলে নিয়ে কিশোরীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ

সাভার মডেল থানার ওসি (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ সন্ধ্যায় ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কিশোরীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আমান উল্লাহ পাটওয়ারী, সাভার (ঢাকা)

Location :

Savar
কিশোরীকে গণধর্ষণ
কিশোরীকে গণধর্ষণ |প্রতীকী ছবি

সাভারে সড়ক থেকে এক কিশেরীকে (১৫) তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পৌর এলাকার ডগরমোড়ায় স্থানীয় লিটনের বাড়িতে এ ঘটনা সংঘটিত হয়।

রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে অভিযুক্ত দু’জনকে আটক করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলো ওই এলাকার লিটনের ছেলে শান্ত ও আশিক ।

সাভার মডেল থানার ওসি (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ সন্ধ্যায় নয়া দিগন্তকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, কিশোরীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ভিকটিমের পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ভিকটিম ডগরমোড়ার একটি সংযোগ সড়ক দিয়ে হেঁটে তার বোনের বাসা থেকে নিজের ভাড়া বাসায় আসছিল। পথে ডগরমোড়ার সিআরপি রোড সংলগ্ন স্থানে এলে লিটনের ছেলে শান্ত ভিকটিমের শরীর থেকে ওড়না নিয়ে দৌঁড়ে তাদের বাড়ি চলে যায়।

ভিকটিম কিশোরী ওড়না উদ্ধারের জন্য তার পিছু নিয়ে ওই বাড়ির সামনে যায়। এসময় শান্ত তাকে সড়ক থেকে ধরে বাড়ির দোতলায় নিয়ে যায়। সেখানে শান্ত তাকে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে শান্তর বন্ধু আকাশসহ আরো পাঁচজন পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

অভিযুক্তরা ভিকটিম কিশোরীকে বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে যাতে করে এ ঘটনা কোনোভাবে প্রকাশ না করা হয়। এরই মধ্যে ভিকটিমের প্রতিবেশী রানা ঘটনাটি জানতে পেরে প্রতিবাদ করলে অভিযুক্তরা তাকে মারধর করে।

রোববার দুপুরে পরিবারের পক্ষ থেকে সাভার মডেল থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানায়। পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং দু’জনকে আটক করে।