সিসিক প্রশাসক

আইসিসিআর স্কলারশিপ আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য অনন্য সুযোগ

সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে নগরের উপশহরের একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ, সেকেন্ড সেক্রেটারি রাজেশ ভাটিয়াসহ বিশিষ্টজন বক্তব্য দেন।

আবদুল কাদের তাপাদার, সিলেট ব্যুরো

Location :

Sylhet
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী |ছবি : নয়া দিগন্ত

সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ‘বর্তমানে দেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের যথেষ্ট সুযোগ সৃষ্টি হলেও একসময় এ সুযোগ ছিল খুবই সীমিত। সিলেটে উচ্চশিক্ষার জন্য একমাত্র প্রতিষ্ঠান ছিল এমসি কলেজ। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) স্কলারশিপের ৭৭ বছরপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের এই স্কলারশিপ শিক্ষার্থীদের জন্য অনন্য সুযোগ।’

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাতে সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘জ্ঞান অর্জনের জন্য আমাদের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যাচ্ছে। ভারত আমাদের বন্ধুপ্রতিম ও প্রতিবেশী দেশ। গত পঞ্চাশের দশক থেকে আইসিসিআর স্কলারশিপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভারতে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছে এবং এই কার্যক্রম এখনো অব্যাহত রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এই স্কলারশিপ চালুর সময় ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন মওলানা আবুল কালাম আজাদ। ভারতে সরকার পরিবর্তন হলেও এ ধরনের শিক্ষামূলক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। যারা এই বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা শেষ করেছেন, তাদের নিয়ে আজকের এই পুনর্মিলনী আয়োজন করা হয়েছে। এ ধরনের স্কলারশিপ শিক্ষার্থীদের জন্য অনন্য সুযোগ সৃষ্টি করে।’

বাংলাদেশ ও ভারতকে বন্ধুপ্রতিম দেশ উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ইতিবাচক সম্পর্ক সবসময়ই অব্যাহত রয়েছে।’

সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে নগরের উপশহরের একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ, সেকেন্ড সেক্রেটারি রাজেশ ভাটিয়াসহ বিশিষ্টজন বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী হিমাংশ বিশ্বাস, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিমাদ্রী শেখর রায়সহ বৃত্তিপ্রাপ্ত সাবেক শিক্ষার্থী ও অন্য অতিথিরা ছিলেন।

প্রসঙ্গত, আইসিসিআর (ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস) হলো ভারত সরকারের একটি সম্পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি কর্মসূচি, যার মাধ্যমে বিদেশী শিক্ষার্থীরা ভারতে আন্ডারগ্রাজুয়েট, পোস্টগ্রাজুয়েট ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনার সুযোগ পান।